নয়াদিল্লি: ক্রিকেট নিয়ে নয়, বরং তিনি অনেক বেশি উদ্বিগ্ন শিক্ষার্থী ছেলে-মেয়েদের ভবিষ্যত নিয়ে। তাই বিশ্বজয়ী অধিনায়কের মতে ক্রিকেট পরে হবে, আগে স্কুল-কলেজ পুনরায় চালু হোক।

বিশ্ব মহামারী নোভেল করোনা ভাইরাস যেন বিভীষিকা হয়ে আঘাত করেছে পৃথিবীকে। মৃত্যু মিছিল পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে। এমতাবস্থায় করোনার প্রকোপ রুখতে বিভিন্ন দেশে চলছে লকডাউন। ভারতবর্ষও তার ব্যতিক্রম নয়। ৩মে অবধি লকডাউন বর্ধিত করা হয়েছে এদেশে। বিশ্বজুড়ে স্তব্ধ খেলার মাঠ। বন্ধ ক্রিকেট, বন্ধ ফুটবল। কিন্তু পৃথিবীজুড়ে স্পোর্টস ইভেন্ট বন্ধ থাকায় কপিল দেব যত না উদ্বিগ্ন তার চেয়ে তিনি অনেক বেশি উদ্বিগ্ন দীর্ঘ সময় ধরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকায়।

এব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে এক ক্রীড়া সংবাদমাধ্যমকে একান্ত সাক্ষাৎকারে কপিল জানিয়েছেন, ‘আমি বড় পরিসরে চিন্তা-ভাবনা করছি। আপনাদের কী মনে হয় ক্রিকেটই এসময় একমাত্র আলোচনার বিষয় হতে পারে? আমি বরং ছোট-ছোট ছেলেমেয়েদের কথা ভেবে উদ্বিগ্ন। যারা স্কুল-কলেজে যেতে পারছে না। ওরাই তো আমাদের ইয়ং জেনারেশন। তাই আমার মনে হয় স্কুল-কলেজ আগে পুনরায় চালু হোক। ক্রিকেট-ফুটবল ঠিক সময়মতো চালু হবে।’

এছাড়া শোয়েব আখতার প্রস্তাবিত ভারত-পাক দ্বিপাক্ষিক সিরিজের প্রসঙ্গটি পুনরায় উঠে এলে আগের অবস্থানেই অনড় ‘৮৩-র বিশ্বজয়ী অধিনায়ক। তাঁর কথায়, ‘ক্রিকেট ম্যাচ খেলা এই সময় প্রাধান্য পেতে পারে না। আমাদের যদি সত্যিই অর্থের প্রয়োজন হয় তাহলে প্রচুর সংখ্যায় মন্দির-মসজিদ রয়েছে। তাঁদের এগিয়ে আসা উচিৎ। এটা তাদের কর্তব্য। আমরা যখন বিভিন্ন ধর্মস্থানে যাই প্রচুর অর্থদান করি। সেই টাকা দিয়ে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর এখন সহযোগীতা করা উচিৎ।’

উল্লেখ্য, দিনকয়েক আগে ভারতের প্রথম বিশ্বকাপজয়ী ক্যাপ্টেন কপিল দেবের মস্তকমুন্ডনের ছবি ভাইরাল হয় ইন্টারনেটে। লকডাউনে নিজেই নিজের মাথা মুড়িয়েই ফেলেন। নুন-মরিচ দাড়িতে ভারতের ১৯৮৩ বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়কের শেভেন চেহারার ছবির সঙ্গে তুলনা চলে একদা সতীর্থ সৈয়দ কিরমানির। তো কেউ আমার বলেন কপিলের নতুন লুক যেন স্যার ভিভ রিচার্ডস এবং কিরমানির মিশেল।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।