কাবুল : ভয়াবহ বিস্ফোরণ প্রাণ গেল ১৮ জনের। এদের মধ্যে স্কুল পড়ুয়াও রয়েছে। আহত হয়েছেন ৫৭ জন। আফগানিস্তানের কাবুলে এক আত্মঘাতী বিস্ফোরণে এই ক্ষয়ক্ষতির খবর মেলে।

সংবাদসংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস থেকে পাওয়া খবরে জানা গিয়েছে, কাবুলের পশ্চিমাংশে দস্ত-এ-বার্চি এলাকায় এক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বাইরে এই বিস্ফোরণ হয়। আফগান বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র তারিখ আরিয়ান জানান, ওই আত্মঘাতী জঙ্গি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ঢোকার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু নিরাপত্তা রক্ষীরা তাঁকে বাধা দেয়।

এই বিস্ফোরণে মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে। আহতদের কাবুলের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। একদিকে সরকার জানাচ্ছে এই বিস্ফোরণে ১৮ জনের মৃত্যু ও ৫৭ জন আহত হয়েছেন। অন্যদিকে আফগানিস্তানের প্রথম সারির সংবাদপত্র টোলো নিউজ জানাচ্ছে ২৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন ৭২ জন।

গোটা ঘটনার পিছনে ইসলামিক স্টেটের হাত রয়েছে বলে রয়টার্স জানিয়েছে। প্রাথমিকভাবে তালিবানরা এই ঘটনার পিছনে রয়েছে বলে মনে করা হলেও, পরে তারা দায় নিতে অস্বীকার করে।

উল্লেখ্য অক্টোবর মাসের মধ্যে প্রায় তিন বার বিস্ফোরণ ঘটল কাবুলে। ১৮ই অক্টোবর আফগানিস্তানের ঘোর প্রদেশের ফিরোজ কোহায় বিস্ফোরণ হয়। সকাল ১১ টা ১৫ মিনিট নাগাদ এই ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। জানা যায়, যে এলাকায় একাধিক সরকারি অফিস ও আফগান পুলিশের দফতর রয়েছে, সেখানেই বিস্ফোরক বোঝাই বাসটিতে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।

প্রাথমিকভাবে বিস্ফোরণের চেহারা দেখে আত্মঘাতী বিস্ফোরণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিস্ফোরণের পরই গোটা এলাকা ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন আশেপাশের বাসিন্দারা।

১২ই অক্টোবর রাস্তার ধারে পড়ে থাকা বোমা ফেটে মারা যান ১০ জন আফগান ন্যাশনাল আর্মির জওয়ান। মারা যান ৩ জন সাধারণ মানুষও। স্থানীয় টোলো নিউজ জানায়, বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন এই বিস্ফোরণে।

শের ই পাল প্রদেশে সেনা কনভয়কে নিশানা করা হয়েছিল বলে খবর মেলে। তালিবান বা অন্য কোনও গোষ্ঠী এই বিস্ফোরণের দায় স্বীকার করেনি। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর বাঘলানে আরও একটি মাইন উদ্ধার করা হয়। সেটি নিষ্ক্রিয় করা হয়।

স্বামীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বস্ত্র ব্যবসাকে অন্যমাত্রা দিয়েছেন।'প্রশ্ন অনেকে'-এ মুখোমুখি দশভূজা স্বর্ণালী কাঞ্জিলাল I