ফাইল ছবি

কলকাতা:  শিক্ষক এবং অশিক্ষক কর্মীদের জন্যে কড়া শিক্ষাদফতর। এবার থেকে নির্দিষ্ট সময়ে স্কুলে আসতে হবে সমস্ত শিক্ষক এবং অশিক্ষক কর্মীদের। আর তা না আসলে সেদিনের জন্যে সেই সংশ্লিষ্ট অশিক্ষক কর্মী এবং শিক্ষককে সেদিনের জন্যে লেট হিসাবে গণ্য হবে। খুব শীঘ্রই এই বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

রাজ্যের সমস্ত স্কুলেও এই বিষয় শিক্ষাদফতরের বিজ্ঞপ্তি পৌঁছে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সমস্ত স্কুলে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১০টা ৪০ থেকে ১০টা ৫০মিনিটের মধ্যে স্কুলের প্রার্থনায় অংশ নিতে হবে প্রত্যককেই। ১০টা ৫০ মিনিটের পরে কেউ স্কুলে ঢুকলে, তা ‘লেট’ হিসাবেই গ্রাহ্য হবে। সকাল ১১টা ৫ মিনিটের পরে স্কুলে ঢুকলে তাঁকে অনুপস্থিত ধরা হবে।

অনেক সময়ই অভিযোগ ওঠে, অশিক্ষক কর্মীরা স্কুল শেষ হওয়ার নির্দিষ্ট সময়ের আগেই চলে যান। সে দিকেও নজর দিয়েছে শিক্ষা দফতর। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, সাড়ে ৪টের আগে স্কুল ছাড়া যাবে না। শিক্ষা দফতরের নিয়ম মেনে ক্লাস নেওয়ার বিষয়েও সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের।

প্রসঙ্গত, অন্যদিকে স্কুল চত্বরে মোবাইল ব্যবহারে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে শিক্ষা দফতর। এবার থেকে ছাত্রছাত্রীরা স্কুলে মোবাইল আনতে পারবে না সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে শিক্ষকদের মোবাইল ব্যবহারেও বেশ কিছু শর্ত দেওয়া হয়েছে। ২০২০ সালের নতুন শিক্ষাবর্ষ থেকেই এই নিয়ম চালু হতে চলেছে।

স্কুলে ছাত্রছাত্রীদের মোবাইল-স্মার্টফোন ব্যবহার নিয়ে শিক্ষামহলে বিতর্ক রয়েছে। ক্লাস চলাকালীন শিক্ষক-শিক্ষিকাদের ফোনে কথা বলা নিয়েও পড়ুয়া এবং অভিভাবকদের একাংশের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে। অভিযোগ, স্কুলে মোবাইল ব্যবহারের কারণে পড়াশোনায় অমনোযোগী হয়ে পড়ছে পড়ুয়ারা। এ বার বিষয়টি কড়া হাতেই মোকাবিলা করতে চায় শিক্ষা দফতর।

ফাইল ছবি

এর আগে পরীক্ষা চলাকালীন শিক্ষকদের মোবাইল ফোন ব্যবহারের উপর নিষেধাজ্ঞা ছিল। মোবাইল ফোন যে মনোযোগে ব্যাঘাত ঘটায়, নানা গবেষণায় বহুবার তা উঠে এসেছে। শিশুদের হাতে স্মার্টফোন দিলে ঠিক করে বই পড়তেও সমস্যায় পড়ে তারা। বাস্তবিক এই সমস্যার কথা ভেবেই স্কুলে মোবাইল ব্যবহারের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করছে পর্ষদ। সামনের বছর থেকে মোবাইল ফোনের নিষেধাজ্ঞা ছাড়াও আরও বেশ কিছু বিধি-নিষেধ আরোপ করতে চলেছে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ