যৌন হেনস্থা বা নির্যাতন এই দুটোই এখন গোটা বিশ্বে প্রধান সমস্যাগুলোর মধ্যে অন্যতম এক সমস্যা। এই যৌন হেনস্থা বা শারীরিক নির্যাতনের স্বীকার শুধুমাত্র যে মেয়রায় হয় তা কিন্তু নয়। এতে ছেলেরাও অনেকক্ষেত্রে আক্রান্ত। এই খবর শিরোনামে অনেক সময় আসে না বলে আমরা জানতে পারি না।  এবার এই ধরণের ঘটনায় ঘটেছে এক নাবালকের সঙ্গে।

এই নাবালকের উপর দিনের পর দিন যৌন নির্যাতন চালিয়ে গেছে তারই অঙ্কের ক্লাস টিচার। একবার নয় চার চারবার তার সঙ্গে জোর করে যৌনসঙ্গমও করে এই শিক্ষিকা। ঘটনাটি নিউ ম্যাক্সিকোর সিলভার হাই স্কুলের।

জানা গিয়েছে, ৩১ বছরের এই শিক্ষিকা  সিলভার হাই স্কুলের অঙ্কের টিচার তার পাশাপাশি ভলিভল কোচও। গত দু’মাস ধরে নাবালক ছাত্রটিকে উত্তেজনা মূলক ছবি ও পর্ণ পাঠাতো। এর পর বিভিন্ন উছিলায় নিজের কাছে ডেকে এনে তার উপর শারীরিক নির্যাতন করে। এইধরণের ঘটনায় প্রথমে ছেলেটি ভয় পায় যায় পরে নিজের মাকে সব জানালে ওই শিক্ষিকার নামে অভিযোগ দায়ের করা হয়।

পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে। তিয়ানা সাঞ্চেজ নামের এই টিচার গোটা ঘটনার কথা স্বীকার করেছে। সে জানায়, অল্প বয়সের ছেলেদের তার খুব পছন্দ যার কারণে নির্যাতিত ছেলেটিকে বিভিন্ন ধরণের পর্ণ ছবি পাঠাতো। এবং একদিন সুযোগ পেয়ে নিজেকে সামলাতে না পেরে এই ধরণের ঘটনা ঘটায়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.