হাওড়াঃ  করোনা আবহে রাজ্যে বন্ধ রয়েছে সরকারি-বেসরকারি সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এই পরিস্থিতিতে স্কুল চালু রেখে এবার বিতর্কে জড়াল হাওড়ার শিবপুরের একটি বেসরকারি প্রাইমারি স্কুলও। এখানেও সরকারি আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে একেবারে কোভিড বিধি না মেনে খুলে রাখা হয়েছে ওই বেসরকারি শিশু বিদ্যালয়।

অভিযোগ, এখানে ক্লাসের মধ্যে পড়ুয়াদের মুখে নেই মাস্ক। নেই কোনও সোস্যাল ডিসট্যান্সও। শিবপুর থানার নাকের ডগাতেই রমরমিয়ে চলছে ওই স্কুল। অভিভাবকদের দাবি, দীর্ঘ লকডাউনে বাচ্চারা বাড়িতে বসে একঘেয়েমি বোরিং ফিল করছিল। তাই কয়েক ঘন্টার জন্য স্কুলে পাঠাচ্ছি।

অন্যদিকে, স্কুল কর্তৃপক্ষের দাবি খুব অল্প সংখ্যক পড়ুয়ারাই এখন স্কুলে আসছে। এরা বাড়িতে থেকে বোরিং ফিল করছিল। তাই একটু খেলাধূলা আর একটু পড়াশোনা করতেই স্কুল খুলে রাখা হয়েছে। অন্যদিকে, এর পাশাপাশি একদিনের জন্য স্কুল খুলে বিতর্কে জড়াল হাওড়ার ব্যাঁটরার একটি বেসরকারি স্কুলও।

করোনা আবহে রাজ্যে বন্ধ রয়েছে সরকারি-বেসরকারি সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এই পরিস্থিতিতে তৃতীয় শ্রেণির অল্প কিছু ছাত্রকে পড়া বোঝানোর জন্য বুধবার স্কুলে ডেকে বিতর্কে জড়িয়েছে হাওড়ার ব্যাঁটরার ওই বেসরকারি প্রাইমারি স্কুল।

যদিও, স্কুল কর্তৃপক্ষের দাবি সরকারি নির্দেশ মেনে তাঁদের স্কুলও বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। কিন্তু অনলাইনে ক্লাস করতে গিয়ে যাদের পড়া বুঝতে সমস্যা হচ্ছে ( বিশেষ করে অঙ্ক, ইংরেজি ), মূলত এমন অল্প কয়েকজন ছাত্রছাত্রীকেই অভিভাবকদের অনুরোধে আজ ঘন্টা দেড়েকের জন্য স্কুলে আসতে বলা হয়েছিল। কোচিং ক্লাসের মতোই একদিনের জন্য এদের আসতে বলে স্কুলের পড়া বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এরা সকলেই তৃতীয় শ্রেণির পড়ুয়া। স্কুলেরই একটি হলঘরে সোস্যাল ডিসট্যান্স মেনে মাস্ক, স্যানিটাইজার দিয়ে এদের বুধবার সকালে ক্লাস করানো হয়। ওই বেসরকারি প্রাইমারি স্কুলের অধ্যক্ষ জানান, সরকারি নির্দেশ মেনে তাঁদের স্কুলও বন্ধ রয়েছে। কিন্তু, যাদের অঙ্ক, ইংরেজি অনলাইনে বুঝতে সমস্যা হচ্ছে, এমন অভিভাবকেরা তাঁদের কাছে পাঠ বুঝিয়ে দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছিলেন।

সে কারণেই একদিনের জন্য ঘন্টাখানেক তৃতীয় শ্রেণির অল্প কয়েকজন ছাত্রছাত্রীকে স্কুলে আসতে বলা হয়েছিল। করোনা অতিমারিতে দীর্ঘদিন স্কুল খোলা নেই। তবে কোচিং ক্লাসের মতো করেই আজ বাচ্চাদের পড়ানো হয়েছে। এদিকে, এই খবর এসে পৌঁছয় স্থানীয় ব্যাঁটরা থানাতেও।

স্কুল কেন খোলা হয়েছে এ নিয়ে অনেকেই থানায় ফোন করে জানতে চান। পুলিশ স্কুলে আসে। পুলিশ জানিয়েছে, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যোগাযোগ করা হতে পারে স্কুল শিক্ষা দফতরেও।

উল্লেখ্য, সরকারি স্তরেও ভাবনাচিন্তা চলছে আগামী মাস থেকে স্কুলের উঁচু ক্লাস বা কলেজের পঠনপাঠন চালু করা যায় কিনা। এরইমধ্যে স্কুল খোলার জন্য শিক্ষা দফতরে স্মারকলিপি দিয়ে রেখেছে বেশ কিছু শিক্ষক সংগঠন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।