সানা: গৃহযুদ্ধে বিধ্বস্ত ইয়েমেনে সাম্প্রতিক সময়ে সবথেকে বড় নাশকতার ঘটনা ঘটেছে৷ রেডক্রশ সোসাইটির দাবি, একটি স্কুলবাসে হামলা চালানো হয়৷ তাতে অন্তত ২০ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে৷ যদিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া বার্তায় উঠে আসছে নিহতের সংখ্যা আরও বেশি৷ আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা এপি- তাদের রিপোর্টে লিখেছে, নিহত কমপক্ষে কুড়িটি শিশু৷ আরও মৃত্যুর আশঙ্কা থাকছে৷

আল জাজিরার খবর, মৃত শিশুদের বয়স ১০ বছরেরও কম৷ আহত আরও অনেকে৷ অভিযোগ, সৌদি আরব থেকে নিক্ষেপ করা ক্ষেপণাস্ত্র আছড়ে পড়ে ওই স্কুল বাসে৷ তারপরেই হয় প্রবল বিস্ফোরণ৷ পরে সেই বাস থেকে আধপোড়া মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়৷ যদিও এসব খবরের ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন থাকছে৷

২০১৫ সাল থেকে ইয়েমেন শুরু রাজনৈতিক সংকট ও গৃহযুদ্ধ৷ এতে ইয়েমেনের নির্বাচিত সরকারের প্রেসিডেন্ট মনসুর আল হাদিকে সরিয়ে ক্ষমতা দখল করেছে হুথি বিদ্রোহী গোষ্ঠী৷ তার পর থেকে ইয়েমেনে তারাই ক্ষমতায় রয়েছে৷ এদিকে মনসুর হাদি সৌদি আরব ও তাদের জোট সেনার সাহায্যে পরে ফিরে আসেন দেশে৷ তবে তিনি এডেন বন্দরের কাছেই তাঁর সরকারের কেন্দ্র তৈরি করেছেন৷ রাজধানী সানা শহর এখনও হুথিদের দখলে৷

হুথিদের বিরুদ্ধে লাগাতার সেনা অভিযান চালাচ্ছে সৌদি জোট৷ হুথিদের সমর্থন করছে ইরান৷ এর জেরে মুসলিম বিশ্ব আড়াআড়ি ভাবে বিভক্ত৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।