স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: বিধানসভা ভোটের আগে তফশিলি-উপ তফশিলিদের মন ঘোরাতে উদ্যোগী হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ সেইকারণেই আটবছর পর অনগ্রসরশ্রেনীর বিধায়কদের নিয়ে বৈঠক করলেন তিনি৷ আজ, মঙ্গলবার দুপুরে বিধানসভা ভবনের নৌসাদ আলি কক্ষে দলমত নির্বিশেষে শাসক-বিরোধী সব শিবিরের তফসিলি জাতি ও উপজাতি সম্প্রদায়ভুক্ত বিধায়কের ডাকা হয়েছিল৷

লোকসভা ভোটে পদ্মমুখী হয়েছে তফশিলি-উপ তফশিলি ভোটব্যাংকের একটা বড় অংশ৷যা উদ্বেগ বাড়িয়েছে তৃণমূলের৷তাই বিধানসভা নির্বাচনের আগে ওই এলাকার উন্নয়নকে আরও ত্বরান্বিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী৷এদিন বৈঠকে উপস্থিত বিধায়কদের থেকে সেব্যাপারে পরামর্শ নেন তিনি৷

সূত্রের খবর, এদিন বিধায়কদের উদ্দেশ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আপনারা আমাদের সাজেশন দিন সেই মতো আমরা বিষয়টি দেখব। কংগ্রেস বিধায়ক সুখবিলাস বর্মা মুখ্যমন্ত্রীকে বেশ কয়েকটি প্রস্তাব দিয়েছেন৷ যেমন, আদিবাসীদের সার্টিফিকেট দেওয়ার নিয়ম সরলীকরণ করতে হবে,আরও বেশি সংখ্যাক আদিবাসী মানুষকে ভাতা দিতে হবে এবং আদিবাসীদের জমি বেদখল হয়ে যাচ্ছে সেটা দেখতে হবে।

ক্ষমতায় আসার পর জেলাওয়ারি প্রশাসনিক বৈঠক করলেও মুখ্যমন্ত্রী কখনওই সব শিবিরের তফসিলি জাতি ও উপজাতি বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠক করেননি বলে অভিযোগ করে এসেছে বিরোধীরা। তবে এই বৈঠকে ডাক পেয়ে উৎসাহ দেখিয়েছেন বাম, কংগ্রেস ও বিজেপি বিধায়করা৷ এদিন বৈঠকে মোট ৮৪ জন বিধায়ক উপস্থিত ছিলেন৷

বিরোধী বিধায়করা এদিন বলেন, এবার ভোটে তৃণমূলের তফসিলি জাতি ও উপজাতি ভোট ব্যাঙ্কে ভালো ধস নেমেছে। তাই মুখ্যমন্ত্রী এত নড়েচড়ে বসেছেন৷তবে ক্ষমতায় বসার পর ওঁর মনে রাখা উচিত ছিল, গণতন্ত্রে বিরোধীদেরও একটা মর্যাদা রয়েছে। সর্বোপরি, উনি শাসক-বিরোধী সবার মুখ্যমন্ত্রী। আট বছর ধরে যদি তিনি এই গণতন্ত্রের পথে চলতেন, তাহলে কখনওই মানুষ এত ক্ষুব্ধ হত না। তবে দেরিতে হলেও ওঁর এই উদ্যোগকে আমরা ইতিবাচক বলেই মনে করব।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ