নয়াদিল্লিঃ  প্রজাতন্ত্র দিবসে কৃষকদের ট্রাক্টর র‍্যালি। আর র‍্যালির অনুমতি চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ কৃষকরা। আজ সোমবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয় দেশের উচ্চ আদালতে।

শুনানিতে আদালত, র‍্যালির অনুমতি দেওয়ার বিষয়টি দিল্লি পুলিশের উপরেই ছাড়ল আদালত। যেহেতু দিল্লির আইন-শৃঙ্খলার দায়িত্বে দিল্লি পুলিশ, সেহেতু এই বিষয়টি তাঁদের উপর ছাড়তে চায় সুপ্রিম কোর্ট।

উল্লেখ্য, আগামী ২৬ জানুয়ারি, প্রজাতন্ত্র দিবসে লাল কেল্লার অনুষ্ঠান চলাকালীন জাতীয় পতাকা হাতে ট্রাক্টর মিছিলের ডাক দিয়েছে আন্দোলনরত কৃষকরা। কিন্তু ব্যাঘাত ঘটাতেই নাকি কৃষকেরা অভিযান চালানোর কথা বলছেন, এমন রটনা শোনা যাচ্ছে। যদিও কৃষকরা সাফ জানিয়েছেন যে তাঁদের এমন কোনও উদ্দেশ্য নেই।

৪০টি কৃষক সংগঠনের জয়েন্ট কো-অর্ডিনেশন কমিটি ‘সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা’ ওইদিন রাজপথে ট্রাক্টর মার্চ করার কথা জানিয়েছেন। অন্যদিকে, ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়ন নেতা রাকেশ তাকাইত বলেন, তাঁরা ২০২৪ পর্যন্ত এই বিক্ষোভ চালিয়ে যেতে প্রস্তুত।

দিল্লিতে এক যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে কৃষক নেতা বলেন, প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে কোনোরকম ব্যাঘাত ঘটানোর কোনও ইচ্ছা নেই। ৫০ কিলোমিটার জুড়ে ওই কিষাণ ট্রাক্টর মার্চ হবে শান্তিপূর্ণ।

প্রত্যেকটি ট্রাক্টরে জাতীয় পতাকা উড়বে বলেও জানিয়েছেন তিনি। যেসব কৃষকেরা দিল্লি পৌঁছতে পারবেন না, তাঁরা নিজেদের গ্রামেই ট্রাক্টর র‍্যালি করবেন বলে জানিয়েছেন ওই নেতারা।

অন্যদিকে, নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন কেন্দ্রীয় কৃষি মন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমর। বুঝিয়ে দিলেন, আর যাই হোক, কৃষি বিল তুলবেন না তাঁরা। আগামী ১৯ জানুয়ারি ফের বৈঠক রয়েছে কৃষকদের সঙ্গে। তার আগে এমনই ইঙ্গিত দিয়েছেন তোমর।

গত ১২ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের অর্ডারের পর আপাতত কৃষি বিল কার্যকর হচ্ছে না। ১৯ তারিখের বৈঠকে কৃষকদের কাছ থেকে নির্দিষ্টভাবে দাবি শুনতে চেয়েছে কেন্দ্র, যাতে সমস্যার সমাধান করা সম্ভব হয়।

তার আগেই কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী বললেন, ‘বেশিরভাগ কৃষক এবং বিশেষজ্ঞরা কৃষি বিলের পক্ষে। আমরা চাই ১৯ জানুয়ারি আলোচনার পর সঠিকভাবে আলোচনার পর কৃষকেরা জানান যে তাঁরা ঠিক কী চাইছেন। কৃষি বিল তুলে নেওয়া বাদে কৃষকেরা কী চাইছে, তা বলুক।’ অর্থাৎ সরকার যে কৃষি বিল তুলতে রাজি নয়, তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন তোমর।

তবে প্রজাতন্ত্র দিবসে ট্রাক্টর র‍্যালি ঘিরে নতুন করে উত্তেজনার পারদ চড়তে শুরু করেছে। সুপ্রিম কোর্টে চলছে মামলা। তবে ট্রাক্টর র‍্যালির অনুমতি দেওয়ার বিষয়টি দিল্লি পুলিশের উপরে ছেড়েছে আদালত। বিষয়টি খতিয়ে দেখে সুপ্রিম কোর্টে রিপোর্ট দেবে দিল্লি পুলিশ। আগামী ২০ জানুয়ারি ফের এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।