মুম্বই: আরও সমস্যায় অ্যামাজন প্রাইম। অভিনেতা মহম্মদ জিশান আয়ুব, অ্যামাজন প্রাইম ভিডিও (ইন্ডিয়া) ও ‘তাণ্ডব’ নির্মাতাদের আবেদন খারিজ করল সুপ্রিম কোর্ট। দেশের শীর্ষ আদালতের কাছে গ্রেপ্তারির রক্ষাকবচের আবেদন করেছিলেন তাঁরা। এই মামলায় FIR খারিজ বা আগাম জামিনের আর্জি জানাতে তাঁদের হাই কোর্টের দ্বারস্থ হতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, অ্য়ামাজন প্রাইমের এই ওয়েব সিরিজের বিরুদ্ধে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এই ওয়েব সিরিজের বিরুদ্ধে একাধিক FIR-ও দায়ের হয়। এরপরই আদালতের দ্বারস্থ হন অভিনেতা মহম্মদ জিশান আয়ুব, অ্যামাজন প্রাইম ভিডিও (ইন্ডিয়া) ও টিম ‘তাণ্ডব’। গ্রেপ্তারি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য সুপ্রিম কোর্টের দারস্থ হন তাঁরা। এদিন সুপ্রিম কোর্টের অশোক ভূষণ, আর এস রেড্ডি ও এম আর শাহের বেঞ্চে মামলা ওঠে। বেঞ্চের তরফে এদিন জানিয়ে দেওয়া হয়, “আপনাদের বাক স্বাধীনতা চূড়ান্ত নয়। কোনও সম্প্রদায়ের ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করে এমন কোনও চরিত্রে আপনি অভিনয় করতে পারেন না।”

শীর্ষ আদালত এদিন ‘তাণ্ডব’ ওয়েব সিরিজের পরিচালক আলি আব্বাস জাফর ও অন্যান্যদের অভিযোগ শোনে। আলি আব্বাস জাফর ছাড়া অ্য়ামাজন ইন্ডিয়ার প্রধান অপর্ণা পুরোহিত, ওয়েব সিরিজের প্রযোজক হিমাংশু মেহেরা, চিত্রনাট্যকার গৌরব সোলাঙ্কি ও অভিনেতা জিশান আইয়ুবের বিরুদ্ধেও দায়ের হয়েছে এফআইআর। উত্তর প্রদেশ, মধ্য প্রদেশ, কর্ণাটক ও মহারাষ্ট্র থেকে একাধিক অভিযোগ দায়ের হয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে। ওয়েব সিরিজের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির 153A ও 295 ধারায় ফৌজদারি মামলা দায়ের হয়েছে।

অ্যামাজন প্রাইম ভিডিওতে স্ট্রিমিং শুরু হয়েছিল ‘তাণ্ডব’-এর। এটি একটি পলিটিক্যাল ড্রামা। শীর্ষস্থানীয় রাজনীতিবিদের চরিত্রে অভিনয় করেছেন সইফ আলি খান। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনীতিকের ভূমিকায় দেখা গিয়েছে ডিম্পল কাপাডিয়াকে। এছাড়া অভিনয় করেছেন মহম্মদ জিশান আইয়ুব, কৃতিকা কামরা, সুনীল গ্রোভার সহ অনেকে। এখানে রাজনীতির চাপানউতোরের গল্পের পাশাপাশি কলেজ ছাত্রদের রাজনীতিতে নামার গল্পও দেখানো হয়েছে। সিরিজে সুনীল গ্রোভার একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।