নয়াদিল্লি: সুপ্রিম কোর্ট থেকে বিশেষ অনুমতি নিয়ে জম্মু ও কাশ্মীরে যাবেন সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি। জম্মু ও কাশ্মীরে আর্টিকেল 370 এবং 35A নিস্ক্রিয়করণের পর কোনও রাজনৈতিক নেতৃত্বকেই সেখানে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। কাশ্মীরের স্থানীয় নেতৃত্ব এবং কিছু বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতাদের গৃহবন্দী করেছে সরকার।

সীমান্তের ওপারে পাকিস্তান থেকে নিয়মিত প্ররোচনামূলক মন্তব্য করা হচ্ছে। ধৈর্য রেখেছে মোদী সরকার। এমন নয় যে সীতারাম এর আগে কাশ্মীরে প্রবেশ করার চেষ্টা করেননি। তিনি কাশ্মীরে সিপিএম নেতা ইউসুফ তারিগামীকে দেখতে গিয়েছিলেন। কিন্তু, বিমান বন্দর থেকেই ফিরে আসতে হয়। এরপর, রাহুল গান্ধীর সঙ্গেও তিনি কাশ্মীরে প্রবেশ করার চেষ্টা করেন। কিন্তু ব্যর্থ হন।

আবার আদালতের দ্বারস্থ হয়েই কাশ্মীরের পথে সীতারাম। জম্মু ও কাশ্মীরের সিপিএম নেতা এবং চারবারের বিধায়ক ইউসুফ তারিগামির মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করেছে কেন্দ্রের মোদী সরকার। এই অভিযোগে ২৪ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টে রিট পিটিশন দাখিল করেন সিপিএম সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি। সেই মামলায় বুধবার রায়ে সীতারাম ইয়েচুরিকে জম্মু ও কাশ্মীরে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

বুধবার সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ ওই রিট পিটিশনের পরি প্রেক্ষিতে রায় দিয়ে বলেছেন, “আপনি দলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আপনার দলের নেতা ও প্রাক্তন বিধায়ক তারিগামির সঙ্গে দেখা করতে যেতে পারেন। দেশের এক নাগরিক তার বন্ধুর সঙ্গে দেখা করবেন, এতে অসুবিধা কোথায়? তবে এটা নিয়ে রাজনীতি করবেন না।” সিপিএম, কংগ্রেস সহ দেশের বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দল কাশ্মীর ইস্যুতে মোদী সরকারের তুলধনা করতে ব্যস্ত।

তাঁদের বক্তব্য, এভাবে বিশেষ অধিকার তুলে নিয়ে গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ করেছে মোদী সরকার। অন্যদিকে, ৭০ বছরে কাশ্মীর সমস্যা না মেটানোয় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে মনে করে বিজেপি।