নয়াদিল্লি: আদালত অবমাননা করেছেন৷ সেই অপরাধে প্রাক্তন সিবিআই কর্তা নাগেশ্বর রাওকে সাজা দিল সুপ্রিম কোর্ট৷ তাঁকে ১ লক্ষ টাকার জরিমানার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷এই প্রথম কোনও সিবিআই আধিকারিককে সাজা শোনাল শীর্ষ আদালত৷

তবে এর আগে নিজের ভুল স্বীকার করে নিঃশর্ত ক্ষমা চান নাগেশ্বর রাও৷ স্বীকার করেন নিজের দোষের কথা৷ তাতে অবশ্য বরফ গলেনি৷ এদিন কার্যত নাগেশ্বর রাওকে ভর্ৎসনা করে সুপ্রিম কোর্ট৷ পরিষ্কার জানায় যে আদালত অবমাননা করেছেন তিনি৷ তাঁকে সাজা পেতে হবে৷

নাগেশ্বর রাওকে এদিন শীর্ষ আদালত নির্দেশ দেয় যতক্ষণ না আাদলত শেষ হচ্ছে, ততক্ষণ তাঁকে ১নম্বর আদালতে বসে থাকতে হবে৷ এদিন সুপ্রিম কোর্ট বলে ‘এক কোণায় গিয়ে বসে থাকুন৷’

সিবিআইয়ের প্রাক্তন অন্তর্বতী প্রধান নাগেশ্বর রাও জানান আদালতের অনুমতি না নিয়ে কাজ করে আদালত অবমাননা করেছেন৷ উল্লেখ্য, দায়িত্ব পাওয়ার পর অফিসার এ কে শর্মার বদলির নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। এই আধিকারিক বিহারের সরকারি হোমে শিশুদের যৌন নিগ্রহের ঘটনার তদন্ত করছিলেন।আদালতকে না জানিয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য সুপ্রিম কোর্টের কাছে ক্ষমা চাইতে হল এম নাগেশ্বর রাওকে।

এর আগে, সুপ্রিম কোর্টে একটি হলফনামা জমা দেন প্রাক্তন সিবিআই কর্তা৷ তিনি বলেন, মুজাফফরপুর হোমের ঘটনার তদন্তকারী আধিকারিককে বদলির করার আগে অনুমতি নেওয়া উচিত ছিল৷ এই হলফনামা আজ পরীক্ষা করে দেখার কথা সুপ্রিম কোর্টের৷

প্রাক্তন সিবিআই কর্তা অলোক বর্মা ও এবং আরেক আধিকারিক রাকেশ আস্থানার মধ্যে বিবাদ ঘিরে বিতর্ক বাঁধে৷ দুজনকেই পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়৷ সেই জায়গায় দায়িত্ব নেন এম নাগেশ্বর রাও৷ তারপরেই আধিকারিক বদলির সিদ্ধান্ত নেন তিনি৷ ৬ জন অফিসারকে বদলি করেন৷