মুম্বই : সমালোচনার মুখে পড়ে উল্টো সুর এবার স্টেট ব্যাংকের। সোমবার স্টেট ব্যাংকের মুখপাত্র দাবি করেছেন, খরচ কমানোর উদ্দেশ্যে প্রস্তাবিত স্বেচ্ছা অবসর প্রকল্প আনা হচ্ছে না । তাছাড়া পাল্টা দাবি করেছেন চলতি অর্থবর্ষে ১৪,০০০ কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে এই ব্যাংকের।কারণ ব্যবসা সম্প্রসারণ হচ্ছে এবং সেজন্য নতুন কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে বলে যুক্তি দেখিয়েছেন।

সম্প্রতি খবরে জানাজানি হয়, ১ ডিসেম্বর থেকে স্টেট ব্যাংকের ৩০,০০০ কর্মীর স্বেচ্ছা অবসরের কথা ভাবা হয়েছে। এজন্য স্বেচ্ছা অবসর প্রকল্পের খসড়া ইতিমধ্যে তৈরি হয়ে গিয়েছে। এটি আপাতত ব্যাংকের পরিচালন পরিষদের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

স্বাভাবিকভাবেই এমন স্বেচ্ছা অবসরের মাধ্যমে লোক কমানোর পরিকল্পনার বিরোধিতা করেছে বিভিন্ন কর্মী ইউনিয়ন। বিশেষত করোনার জেরে যেখানে মানুষের আর্থিক দিক থেকে সংকট বেড়েছে সেই সময় এই রকম স্বেচ্ছা অবসর প্রকল্প এনে জটিলতাই বাড়বে বলেই তাদের অভিমত।

প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী পি চিদাম্বরম স্টেট ব্যাংকের স্বেচ্ছা অবসর প্রকল্প নিয়ে রীতিমতো তোপ দেগেছেন। টুইট করে জানিয়েছেন, যেখানে বর্তমানে আর্থিক সংকটে চাকরি হাররানোর আশংকায় দিন কাটাচ্ছে সেই সময় এমন ভাবনা অতি নিষ্ঠুর।

দেশের বৃহত্তম ব্যাংক যদি এই পথে হাঁটে তাহলে দেশের ছোট মাঝারি সংস্থার কি দশা হবে সেই প্রশ্ন তোলা হয়েছে। এরই প্রেক্ষিতে স্টেট ব্যাংক কর্তৃপক্ষের দাবি, যারা কোন কারনে স্টেট ব্যাংক ছাড়তে চান তাদের কথা চিন্তা করেই এই স্বেচ্ছা অবসর প্রকল্প আনা হয়েছে।

স্টেট ব্যাংকে গত বছর কর্মীসংখ্যা ছিল ২.৫৭ লক্ষ সেখানে এ বছরের মার্চ মাসে কমে গিয়ে দাঁড়ায়েছে ২.৪৯ লক্ষ। পরিকল্পনা অনুসারে যে সমস্ত কর্মী বা অফিসারেরা ২৫ বছরের বেশি কাজ করেছেন অথবা বয়স ৫৫ বছরের বেশি তারা এই প্রকল্পের আওতায় আসবেন। দেখা গিয়েছে, ব্যাংকে এই শর্ত পূরণ করা লোকের সংখ্যা ৩০,১৯০ জন। এরমধ্যে ১১,৫৬৫ জন অফিসার এবং ১৮,৬২৫ জন কর্মী রয়েছে।

যাদের যতদিন চাকরি বাকি রয়েছে তারা ততদিনের ৫০ শতাংশ এক্সগ্রাশিয়া হিসেবে পাবেন। তবে মোট ভিআরএসের পরিমাণ ১৮ মাসের বেতনের বেশী হবে না। এক্ষেত্রে কর্মী অফিসারদের এক-তৃতীয়াংশ স্বেচ্ছা অবসর নিলে ব্যাংকের খরচ কমবে ১৬৬৩ কোটি টাকা।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।