নয়াদিল্লি: সামান্য ছোট্ট একটা ভুল। আর নিজের অজান্তেই আপনি হারাতে পারেন আপনার কষ্টার্জিত টাকা। এ ব্যাপারে গ্রাহকদের সতর্ক করল খোদ এসবিআই। ভারতের অন্যতম বৃহত্তম এই ব্যাঙ্ক জানিয়েছে সম্পূর্ণ নতুন ভাবে ফাঁদ পাতছে হ্যাকাররা।

ব্যাঙ্কের তরফে জানানো হয়েছে, কোনও পাবলিক চার্জিং জায়গা থেকে ফোন বা ল্যাপটপ চার্জ না দিতে। কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এই ফ্রি চার্জিং স্টেশনেই কৌশল করে ফাঁদ পাতছে হ্যাকাররা। আর সেই ফাঁদে পা দিলে সর্বস্বান্ত হতে পারেন আপনি।

কীভাবে পাতা হচ্ছে এই ফাঁদ? জানানো হয়েছে, জুশ জ্যাকিং পদ্ধতিতে এই হ্যাকিং-এর কাজ চালাচ্ছে হ্যাকাররা। পাবলিক চার্জিং-এর জায়গায় ফোন বা ল্যাপটপে চার্জ দিলে চার্জিং পিনের মাধ্যমে ম্যালওয়ার মোবাইলে ঢুকিয়ে দিচ্ছে হ্যাকাররা। আর তার মাধ্যমে আপনার মোবাইলের ভিডিও, ছবি, ইমেল সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য চলে যাচ্ছে হ্যাকারদের খপ্পরে।

বেশিরভাগ মানুষ এখন অনলাইনে তাঁদের ফোনের মাধ্যমেই ব্যাংকের নানান কাজ সারেন, সেক্ষেত্রে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের নানান ডিটেইলস তথ্যও পেয়ে যাচ্ছে হ্যাকাররা। ফলস্বরূপ যে কোনও সময় ফাঁকা হয়ে যেতে পারে আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট।

এই কয়েকদিন আগে কলকাতার যাদবপুর এলাকায় বারবারে উঠেছিল এটিএম প্রতারণার অভিযোগ। চক্রান্তের পর্দাফাসে দেখা যায় এর পিছনে ছিল রোমানীয়ানরা। আর এরপরেই নতুন বিপত্তি সম্পর্কে গ্রাহকদের সতর্ক করল এসবিআই।

এই হ্যাকারদের থেকে বাঁচতে করণীয় কী? বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, কোনও পাবলিক প্লেসের চার্জিং পয়েন্টে মোবাইল বা ল্যাপটপ চার্জ না দিতে। মোবাইলে যদি ব্যাটারি কাছাকাছি সময়ের মধ্যে ডাউন হয়ে যায়, সেক্ষেত্রে বুদ্ধিমানের কাজ হবে একটি পাওয়ার ব্যাঙ্ক কিনে রাখা। ফলে প্রয়োজন পড়বে না পাবলিক চার্জিং পয়েন্টের। একান্ত যদি তা না হয়, তবে অবশ্যই নিজের চার্জার দিয়ে চার্জ দিন এক্ষেত্রে আপনি কিছুটা সুরক্ষিত হলেন।

তবে শুধুমাত্র যে SBI গ্রাহকেরা এই বিপদে ফাঁসতে পারেন, ব্যাপারটা এমন মোটেই নয়। এসবিআইয়ের তরফে সতর্ক বার্তা দেওয়া হলেও জুশ জ্যাকিং-এর খপ্পরে পড়তে পারেন অনেকেই। তাই সতর্ক থাকুন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।