নয়াদিল্লি: ৩১ জানুয়ারি এবং ১ ফেব্রুয়ারি বনধের ডাক দিয়েছে ইউনাইটেড ফোরাম অফ ব্যাংক ইউনিয়নস। স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া স্পষ্ট জানিয়েছে, দু’দিন ব্যাপী বনধের ফলে ব্যাংকিং পরিষেবায় বেশ কিছুটা প্রভাব পড়বে।

ইউনিয়নের ডাকা বনধের দ্বিতীয় দিনে ২০২০ সালের আর্থিক বাজেট পেশ করা হবে। জানুযারির ৩১ তারিখ অর্থাৎ বনধের প্রথমদিনে ভারতের আর্থিক সমীক্ষা হবে। দ্বিতীয় দিনে অর্থাৎ ফেব্রুয়ারির ১ তারিখ কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন লোকসভায় বাজেট পেশ করবেন। এসবিআই জানিয়েছে যে সবরকম ব্যবস্থা করে রাখা হয়েছে যাতে দেশের সর্বত্র পরিষেবা স্বাভাবিক রাখা যায়।

আরও জানা গিয়েছে, “দেশের সবকটি শাখায় পরিষেবা স্বাভাবিক রাখতে ব্যবস্থা করা হলেও বনধের প্রভাব ব্যাংকের কাজে প্রত্যক্ষ প্রভাব ফেলবে বলেই মনে করা হচ্ছে”।

বেতন বাড়ানোর দাবিতে ইন্ডিয়ান ব্যাংক অ্যাসোসিয়েশনের কোনও ইতিবাচক দিক না বেড়োলে ঠিক তারপরই দু’দিন ব্যাপী বনধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

স্পষ্ট বলা হয়েছিল যে, “আইবিএ উপদেশ দিয়েছে যে ইউনাইটেড ফোরাম অফ ব্যাংক ইউনিয়ন যার আওতায় নয়’টি মুখ্য ইউনিয়ন রয়েছে তাঁরা সকলেই ভারতব্যাপী দু’দিনের বনধের ডাক দিয়েছে ৩১ জানুয়ারি এবং ১ ফেব্রুয়ারিতে”।

৩১ জানুয়ারি ও ১ ফেব্রুয়ারি শুক্র ও শনিবার। ধর্মঘটের দ্বিতীয় দিন অর্থাৎ ওই শনিবারই বাজেট পেশ করবে কেন্দ্র। যে কারণে সে দিন লেনদেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশের শেয়ার বাজারগুলি। কিন্তু মূলত রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলিতে কাজকর্ম হবে না বলেই আশঙ্কা। ধাক্কা খেতে পারে এটিএম পরিষেবাও। ওই দফায় রবিবার জুড়ে গিয়ে ব্যাঙ্কের কাজ বন্ধ থাকবে টানা তিন দিন।

সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা, মাসের একেবারে শুরুতে ব্যাঙ্কের কাজ করা না-গেলে ভোগান্তি হতে পারে সাধারণ মানুষের। দ্বিতীয় পর্যায়ে ১১ থেকে ১৩ মার্চ, বুধ থেকে শুক্র পড়ছে। তবে সে বারও ব্যাঙ্কিং পরিষেবা বন্ধ থাকবে শনি ও রবি নিয়ে টানা পাঁচদিন।

ন’টি ট্রেড ইউনিয়নের প্রতিনিধি ইউনাইটেড ফোরাম অব ব্যাঙ্ক ইউনিয়ন (ইউএফবিইউ) ঘোষণা করেছে, মজুরি পুনর্বিবেচনার বিষয়ে ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্ক অ্যাসোসিয়েশনের (আইবিএ)-এর সঙ্গে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পরে তারা ৩১ জানুয়ারি এবং ১ ফেব্রুয়ারি দেশব্যাপী দুই দিনের ধর্মঘট করবে। সে ক্ষেত্রে দিন দু’টি শুক্রবার এবং শনিবার হওয়ায়, সব মিলিয়ে টানা তিনদিন ব্যাঙ্ক পরিষেবা ব্যহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।