নয়াদিল্লি : স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া বিশেষ সুবিধা এনেছে তাদের গ্রাহকদের জন্য। যে কোনও এসবিআই গ্রাহক এবার থেকে এটিএমে ঢুকে ডেবিট কার্ড ছাড়াই টাকা তুলতে পারবেন। বিষয়টা অবিশ্বাস্য শুনতে লাগলেও, একদম সত্যি।

স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া জানাচ্ছে, যদি তাঁদের গ্রাহকদের কাছে এসবিআই ইয়োনো অ্যাপ থাকে, তবে এইভাবে টাকা তোলা যাবে খুব সহজেই। কার্ড ছাড়াই এটিএম থেকে টাকা তোলার বিশেষ পরিষেবা দিতে শুরু করেছে ভারতীয় স্টেট ব্যাংক ৷ এমন ব্যবস্থায় কার্ড ক্লোনিং বা স্কিমিং-এর জালিয়াতি ঠেকান যাবে এবং গ্রাহক তথ্য চুরির ঝুঁকি থাকবে না। গ্রাহকদের এমন সুবিধা দিতে ইয়োনো ক্যাশ ব্যবস্থা শুরু করেছে এসবিআই।

এই ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে নয়া ব্যবস্থায় এসবিআই-এর ইয়োনো অ্যাপের ব্যবহার করে দেশের ১৬,৫০০ এটিএম থেকে টাকা তুলতে পারবেন গ্রাহকরা। এটিএমগুলিতে এই পরিষেবা দেওয়ার ব্যবস্থা করতে সেগুলিকে ইয়োনো ক্যাশ পয়েন্ট নাম দিয়েছে স্টেট ব্যাংক। ব্যাংকিং পরিষেবা এবং লাইফস্টাইল পণ্য কিনতে ব্যবহারের যোগ্য দেশের প্রথম একক প্ল্যাটফর্ম ইয়োনো এসবিআই-এর সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ইয়োনো ক্যাশ পরিষেবা শুরু করা হয়েছে যা দেশের ব্যাংক ব্যবস্থায় প্রথম এই ধরনের পরিষেবা শুরু করল এসবিআই।

এই ইয়োনো ক্যাশ ব্যবস্থায় টাকা তুলতে সংশ্লিষ্ট গ্রাহককে দু’বার নিজের পরিচিতি যাচাই করাতে হবে। প্রথমত ওই গ্রাহককে ইয়োনো অ্যাপ নিজেদের স্মার্টফোনে ইনস্টল করে নিতে হবে এবং আর্থিক লেনদেনের জন্য ছয়অংকের ইয়োনো ক্যাশ পিন নাম্বার জেনারেট করে নিতে হবে। তখন অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওএস দু’ধরনের অপারেটিং সিস্টেমের স্মার্টফোনেই ইয়োনো অ্যাপ ডাউনলোড করা যেতে পারে। তাছাড়া ওয়েবসাইট থেকেও তা মিলবে। এর ফলে কোনও রকম অসুবিধা ছাড়াই আর্থিক লেনদেন করতে পারবেন গ্রাহকরা।

টাকা তোলার সময় গ্রাহকদের ব্যাংকে নথিভুক্ত মোবাইল নাম্বারে এসএমএস করে আরও একটি ছয় অংকের রেফারেন্স নাম্বার পাঠানো হবে। ওই রেফারেন্স নাম্বার এবং পিন নাম্বার আধ ঘণ্টার মধ্যে ব্যবহার করে নিকটবর্তী ইয়োনো ক্যাশ পয়েন্টে গিয়ে টাকা তোলা যাবে। মালে এক্ষেত্রে পুরো প্রক্রিয়াটাই অ্যাপ ইনস্টল, ছ’অঙ্কের পিন নাম্বার জেনারেট করা এবং এসএমএস মারফত পাওয়া ছ’অঙ্কের রেফারেন্স নাম্বার ব্যবহারের মাধ্যমে করা যাবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.