SBI bank
এসবিআই ব্যাংক

নয়াদিল্লি: করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়েছে গোটা দেশে।বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে, সবাইকে বাড়িতে থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।এমন পরিস্থিতিতে দেশের বৃহত্তম পাবলিক সেক্টর ব্যাঙ্ক স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া তার গ্রাহকদের স্বস্তি দিল।এখন গ্রাহকরা বাড়িতে বসেই কেওয়াইসি ভিত্তিক ব্যাঙ্কের সেভিংস অ্যাকাউন্টও খুলতে পারবেন।

স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া শুক্রবার তার মোবাইল ব্যাঙ্কিং অ্যাপ্লিকেশন – YONO-তে একটি ফিচার্স লঞ্চ করেছে। যেখানে ভিডিও কলের মাধ্যমে কেওয়াইসি ভিত্তিক অ্যাকাউন্ট খোলার সুবিধা রয়েছে। এই নতুন ফিচারটির মাধ্যমে গ্রাহকরা কোনও ব্যাঙ্কের শাখায় না গিয়েই স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং ফেসিয়াল রিকগনাইজেশন প্রযুক্তি দ্বারা চালিত এই প্রক্রিয়া একেবারেই পেপারলেস।

এসবিআই চেয়ারম্যান দীনেশ খারা বলেছেন যে, অনলাইন সেভিংস অ্যাকাউন্ট খোলার সুবিধাটি ঘোষণা করা আমাদের পক্ষে খুব আনন্দের বিষয়, যা বর্তমান মহামারীর ক্ষেত্রে খুব প্রয়োজনীয়।আমরা বিশ্বাস করি যে, এই উদ্যোগটি মোবাইল ব্যাঙ্কিং-এর ক্ষেত্রে একটি নতুন মাত্রা যুক্ত করবে এবং গ্রাহকদের ডিজিটাল করে তুলবে। গত বছর থেকে অনেক বেসরকারী ব্যাঙ্ক তাদের গ্রাহকদের ভিডিও কেওয়াইসি সুবিধা দিচ্ছে।

YONO অ্যাপ্লিকেশন থেকে কেওয়াইসি যেভাবে করবেন

আপনার ফোনে YONO অ্যাপ্লিকেশনটি ডাউনলোড করুন।তারপর ‘New to SBI’ এ ক্লিক করুন এবং ‘Insta Plus Savings Account’টি বেছে নিন। তারপরে, অ্যাপটিতে আপনার আধার বিবরণ দিয়ে দিন। আধার যাচাইকরণ সম্পূর্ণ হওয়ার পরে, ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত বিবরণ পূরণ করতে হবে।তারপরে, গ্রাহককে কেওয়াইসি প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ করতে একটি ভিডিও কল শিডিউল করতে হবে।ভিডিও কেওয়াইসি সমাপ্তির পরে, এসবিআইতে অ্যাকাউন্টটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে খুলবে।

ভিডিও কলের মাধ্যমে গ্রাহকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলার প্রক্রিয়া একটি বড় পদক্ষেপ।এই পদ্ধতি শাখাবিহীন ব্যাঙ্ক খুলতে উৎসাহ দেবে। এরফলে প্রত্যন্ত এলাকার মানুষও ব্যাঙ্কের সঙ্গে যুক্ত হতে পারবে। বর্তমানে, একটি অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য, গ্রাহককে ব্যাঙ্কের শাখায় যেতে হয় এবং তারপরে ফর্ম পূরণ করতে হয়।কিছু ক্ষেত্রে, আধারের মাধ্যমে বেসিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট অনলাইনে খোলা যেতে পারে, তবে সম্পূর্ণ পরিষেবা পেতে ডকুমেন্টেশন বাধ্যতামূলক।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.