নয়া দিল্লি: ভারতের ব্যাংকিং পরিষেবার মধ্যে অন্যতম নাম স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া (SBI) । অন্যান্য ব্যাঙ্কের থেকে এসবিআই এর গ্রাহক সংখ্যা সবথেকে বেশি।

ব্যাংকিং পরিষেবাতে চাকরি করতে চাইলে প্রায় সকলে এসবিআইকে (SBI) প্রথমের তালিকায় রাখে। বেশকিছুদিন আগে এই ব্যাঙ্ক (SBI) তাদের ক্লার্ক (Clerk) পদে কর্মী নিয়োগের জন্য একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিল, যার আবেদনের শেষ তারিখ রাখা হয়েছিল ১৭ মে।

তবে সম্প্রতি ব্যাঙ্কের তরফে আবেদনের সময়সীমা ৩ দিন বাড়ানো হয়েছে। নতুন সময়সীমা অনুযায়ী ব্যাঙ্কের এই পদের জন্য আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবে ২০ মে পর্যন্ত।

এপ্রিলের ২৭ তারিখ এসবিআই (SBI) তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট sbi.co.in ঠিকানায় ক্লার্ক পদের জন্য কর্মী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিল। আগের সময়সীমা অনুযায়ী আবেদন প্রক্রিয়ার শেষ তারিখ রাখা হয়েছিল ১৭ মে, যা বাড়িয়ে করা হয়েছে ২০ মে পর্যন্ত।

আরো পোস্ট- উপযুক্ত প্রমাণের অভাব, আল জাজিরার তথ্যচিত্রে সন্দেহভাজন পাঁচ ক্রিকেটারকে ক্লিনচিট

এর পাশাপাশি ক্লার্ক (Clerk) পদের জন্য পরীক্ষা কবে আয়োজিত করা হবে তাও উল্লেখ করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে। এসবিআই এর তরফে জানানো হয়েছে, আসন্ন পরীক্ষাটি নেওয়া হবে জুনের ৩১ তারিখে।

পরীক্ষার ফলাফল কবে প্রকাশ করা হবে তা উল্লেখ করা হয়নি। ২০২১ নিয়োগের জন্য ভারতীয় স্টেট ব্যাঙ্ক কর্তৃক মোট ৫২৩৭ টি ক্লার্ক পদ ইস্যু করা হয়েছে।

এসবিআই (SBI) এর তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে উল্লেখ করা হয়েছে, ভারতের প্রার্থীদের জুনিয়র অ্যাসোসিয়েট (কাস্টোমার সমর্থন এবং সেল) ক্লার্ক (Clerk) পদে নিয়োগের জন্য যে জায়গাগুলি ব্যাঙ্ক নির্দিষ্ট্য করে দিয়েছে, সেই রাজ্যের মানুষই শুধু এই পরীক্ষা দিতে পারবে।

একটি পরীক্ষার মাধ্যমে নির্বাচন করা হবে প্রার্থীদের। চাকরির জন্য প্রার্থীদের লোকাল ভাষা লিখতে, বলতে এবং বুঝতে পারার মতো বিষয়গুলি বাধ্যতামূলক বলে জানানো হয়েছে।

ব্যাঙ্কে নিযুক্ত হওয়ার আগে অনলাইনের মাধ্যমে পরীক্ষা দিতে হবে প্রার্থীদের। ২০২১ সালের ১ এপ্রিলের মধ্যে যে সকল প্রার্থীদের ২০ থেকে ২৮ বয়স তারা এই পদের জন্য আবেদন করতে পারবে।

২৮ এর বেশি বয়সী প্রার্থীরা আবেদনের জন্য যোগ্য হবে না। এর পাশাপাশি এই পদে আবেদনের জন্য প্রার্থীদের ২০২১ সালের আগস্টের স্বীকৃত কোনও কলেজ থেকে স্নাতক স্তরে উত্তীর্ন হতে হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.