পুনে: কেন্দ্র এবং বিভিন্ন মহল দাবি করে অদেয় ঋণ মুছে ফেলার(write off) অর্থ এই নয় ঋণ মকুব করা। কারণ তার পরেও ঋণের টাকা উদ্ধার করা হচ্ছে ‌ কিন্তু বাস্তবে সেই অংকটা কত। তথ্য জানার অধিকারে তা জানতে চেয়েছেন এক সমাজ কর্মী।

তার ফলে তিনি যা জানতে পেরেছেন তা খুব একটা আশাব্যঞ্জক নয়। কারণ ওই অদেয় ঋণ মুছে ফেলার পর তার সামান্য অংশই উদ্ধার করা যাচ্ছে। এই তথ্য মূলত ১০০ কোটি টাকা বা তার বেশি ঋণের। যখন একটি ব্যাংক তার ব্যালেন্স শীটের সম্পদ থেকে দেওয়া ঋণের অংক মুছে দিচ্ছেন সে ক্ষেত্রে তখন আশা করা যায় না সেই ঋণের অর্থ ঋণ গ্রহীতার কাছ থেকে কিছুটা উদ্ধার করা যাবে।

এর ফলে সুবিধা পায় বড় বড় ঋণখেলাপি শিল্পপতিরা। অন্যদিকে অদেয় ঋণ লেখা থাকছে তখন আশা করা হয় এর বাকি অংশ উদ্ধার হবে যেহেতু ব্যালেন্স শীটে রয়েছে।

কিন্তু স্টেট ব্যাংক সহ পাঁচটি ব্যাংকের সম্পর্কে তথ্য জানা গিয়েছে এই ঋণের টাকা উদ্ধার খুবই সামান্য। পুনের সজন নাগরিক মঞ্চের সভাপতি বিবেক ভেলানকার কিছু নথি পেশ করেছেন।

যার থেকে জানা যাচ্ছে, স্টেট ব্যাংক অর্থবর্ষ ১৩ থেকে অর্থবর্ষ ২০ এই আট বছরে ঋণ মুছে ফেলেছে ১,২৩,৪২৩ কোটি টাকা। সেখানে ওই ঋণের অর্থ থেকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে ৮৯৬৯ কোটি টাকা অর্থাৎ ৭ শতাংশ। এক্ষেত্রে প্রথম পাঁচটি ঋণখেলাপিদের নাম হল অলক ইন্ডাস্ট্রিজ, ভূষণ পাওয়ার অ্যান্ড স্টিল, আই ভি আর সি এল, ভিডিওকন ইন্ডাস্ট্রিজ এবং শ্রী মহালক্ষ্মী কর্পোরেশন বলে এই ব্যাংকের পক্ষ থেকে তথ্য ভ্যালেনকারকে দেওয়া হয়েছে।

স্টেট ব্যাংকের পরেই ঋণ মুছে ফেলেছে রাষ্ট্রয়ত্ত ব্যাংক হল ব্যাঙ্ক অফ বরোদা। একই সময়ে এই ব্যাংকটি ১.২৩ লক্ষ কোটি টাকা ঋণ মুছে ফেলেছে। যেখানে তারপর উদ্ধার হয়েছে ৭ শতাংশ। ভ্যালেনকার ঋণখেলাপিদের নাম জানতে চাইলেও সেটা অবশ্য জানায়নি এই ব্যাংকটি। ইউনিয়ন ব্যাংক গত আট বছরে অদেয় ঋণ মুছে ফেলেছে ২৬,০৭২ কোটি টাকা।

তবে এই ব্যাংক তারপর ঋণের কত টাকা উদ্ধার করেছে তা জানায়নি ভ্যালেনকারকে। এছাড়া আইডিবি আই ব্যাংক গত সাত বছরে ৪৫,৬৯৩ কোটি টাকার ঋণ মুছে দিয়েছে কিন্তু ৮ শতাংশ উদ্ধার করা গিয়েছে ২৯.৩৪ কোটি টাকা খরচ করে।

এমনটাই আরটিআই থেকে জানতে পেরেছে ভেলানকার। আর ব্যাঙ্ক অফ মহারাষ্ট্র ৭৪০২ কোটি টাকা ঋণ মুছে দিয়েছে যেখানে উদ্ধার হয়েছে ৪ শতাংশ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।