নয়াদিল্লি:  হাতে আর মাত্র কয়েকটা দিন। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি শেষ হচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বেঁধে দেওয়া চূড়ান্ত সময়সীমা। এই সময়সীমার মধ্যে সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্টের সঙ্গে KYC জমা না দিলে বন্ধ হয়ে যাবে সেই অ্যাকাউন্ট। ইতিমধ্যে এসবিআইয়ের তরফে তাঁদের গ্রাহকদের জন্যে এই বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, প্রত্যেক ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে ‘Know Your Customer’ (KYC) দেওয়া বাধ্যতামূলক। রিজার্ভ ব্যাংকের গাইডলাইন অনুযায়ী প্রত্যেক অ্যাকাউন্ট হোল্ডারকে নিজেদের অ্যাকাউন্টের সঙ্গে KYC জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক। সমস্ত অ্যাকাউন্টের সঙ্গে KYC-যোগ করা বাধ্যতামূলক বলে বারবার জানিয়েছে রিজার্ভ ব্যাংক।

বেঁধে দেওয়া সময়সীমার মধ্যে KYC-জমা না দিলে সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্ট বন্ধও করে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছিল। অ্যাকাউন্টের সঙ্গে KYC জমা দেওয়ার সেই সময়সীমা শেষ হচ্ছে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি। এই সময়সীমার মধ্যে যদি KYC না জমা দেওয়া হয় তাহলে সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে ব্যাংকের তরফে। ইতিমধ্যে এসবিআই তাঁদের গ্রাহককে এই বিষয়ে অ্যালার্ট করেছে।

KYC-আপডেট করার জন্যে ইতিমধ্যে এসবিআইয়ের তরফে তাঁদের সমস্ত গ্রাহককে অ্যালার্ট পাঠানো হচ্ছে। এসএমএস হোক কিংবা মেলের সাহায্যে প্রতি মুহূর্তে তাঁদের কাস্টমারদের এসএমএসের মাধ্যমে KYC-আপডেট করার জন্যে অ্যালার্ট দিচ্ছে। কবের মধ্যে তা সেরে ফেলতে হবে তা নিয়েও গ্রাহকদের অ্যালার্ট দিচ্ছে স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া।

আগের নির্দেশ অনুযায়ী জেনারেল ব্যাংকের ক্ষেত্রে আগামী বছরের ১লা জানুয়ারির মধ্যেই আপডেট করে ফেলতে হবে বলে জানানো হয়েছিল। তবে যারা ফোন-পে, পেটিএম, আমাজন পে’র মতো ওয়ালেট ব্যবহার করছে তাঁদের ক্ষেত্রে ২০২০ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারির মধ্যে তা সেরে ফেলতে হবে বলেই আরবিআই তাদের গাইডলাইনে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিল। যদিও পরবর্তীকালে দেখা যায় বহু অ্যাকাউন্টের সঙ্গে KYC যোগ ওই সময়সীমার মধ্যে হয়নি। তাই সব ক্ষেত্রে KYC জমা দেওয়ার চূড়ান্ত সময়সীমা করা হয় ২৮ ফেব্রুয়ারি। আর সেই সময়সীমা শেষ হচ্ছে খুব শীঘ্রই। আর তাই সমস্ত অ্যাকাউন্টের মালিককে দ্রুত KYC জমা দেওয়ার জন্যে ব্যাংকের তরফে আবেদন করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, আরবিআইয়ের তরফে বারবার KYC আপডেটের কথা বললেও দীর্ঘদিন ধরে যে সমস্ত অ্যাকাউন্টের সঙ্গে এটি আপডেট করা হয়নি সেই সমস্ত অ্যাকাউন্টগুলিকে বন্ধ করে দেওয়ার কথাও ভাবা হচ্ছে। এমনকি ওই সমস্ত অ্যাকান্টগুলিতে সমস্ত আর্থিক লেনদেনও বন্ধ করা হতে পারে বলে ইতিমধ্যে ভাবনা চিন্তা শুরু করা হয়েছে।