ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোকে লকডাউনে রাজনৈতিক কর্মসূচি বন্ধ রাখার আহ্বান জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।তিনি বলেছেন, একুশে জুলাইয়ের শহিদ দিবস ‘স্যাক্রিফাইস’ করছে তৃণমূল কংগ্রেস। মমতার এই বক্তব্যকে তীব্র কটাক্ষ করলেন রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু। তাঁর দাবি, ২১ জুলাই সমাবেশে লোক হবে না জেনেই এসব কথা বলছেন তিনি।

সায়ন্তন বসু বলেছেন, “আসলে ২১ জুলাই লোকজনই হবে না। মূলত এই আশঙ্কায় কর্মসূচি করতে চাইছে না তৃণমূল নেত্রী। আর লকডাউন ভাঙার কথা বলছেন, প্রথমে উনিই লকডাউন ভেঙেছেন। হাসপাতালে, বাজারে ঘুরেছেন। গন্ডী কেটেছেন। তখন আশেপাশে লোক জমায়েত হয়নি?”

সায়ন্তনের দাবি, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা না করে কর্মসূচি করছেন। আমরা ঘোষণা করে কর্মসূচি করছি। উনি কর্মসূচি বন্ধ রাখলে আমরাও কর্মসূচি বন্ধ রাখব।” শোনা যাচ্ছে, দেশজুড়ে করোনা সংক্রমণের জন্য এবছর ২১জুলাইয়ের শহীদ সমাবেশ ভার্চুয়ালই করতে চলেছে তৃণমূল।

আগামী ৩ জুলাই তা নিয়ে বৈঠক করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই বৈঠকও হবে ভার্চুয়াল। যেহেতু ভার্চুয়াল সমাবেশ দলের সমর্থকদের কাছে একেবারে নতুন। তাই ৩ জুলাই এব্যাপারে দলের নেতা-মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করবেন দলের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলীয় সূত্রে খবর, ওই বৈঠকে শহিদ দিবসের ভার্চুয়াল সমাবেশ কীভাবে হবে তার দিকনির্দেশ করবেন মমতা।

কীভাবে এই সমাবেশকেই বিধানসভা নির্বাচনের আগে দলের প্রচারে হাতিয়ার করবেন তৃণমূল নেতারা তার পরিকল্পনার কথা বলা হবে। সমাবেশের আগে দলের কর্মী সমর্থদের সঙ্গে এনিয়ে কথা বলবেন দলের নেতারা। ভিডিয়ো কন্ফারেন্সের মাধ্যমে প্রত্যেক নেতাই কীভাবে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাবেন।

তা বাতলে দেবেন দলনেত্রী। উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গের জনতার উদ্দেশে দিল্লি থেকে অনলাইনে ভাষণ দিয়েছেন অমিত শাহ। ভার্চুয়াল এই সভার নাম দেওয়া হয় ‘জনসংবাদ র‌্যালি’। সফটওয়্যারের মাধ্যমে রাজ্যের দু’ হাজার নেতাকর্মীকে যুক্ত করা হয়। সেইসময় বিজেপির ভার্চুয়াল সভাকে কটাক্ষ করেছিল তৃণমূল। এবার তৃণমূলের একুশ নিয়ে পাল্টা কটাক্ষ ফিরিয়ে দিল বিজেপি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।