স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: লালকেল্লাকাণ্ডে কৃষকদের পাশে দাঁড়ালেন টলিউডের তিন নায়িকা৷ অভিনেত্রী সায়নী ঘোষ, স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায় ও নুসরত জাহান এই ইস্যুতে বুধবার টুইটারে মুখ খুলেছেন৷

এদিন সায়নী ট্রাক্টরের ছবি টুইট করে লিখেছেন, “ওহ ইন্ডিয়া…নো ইন্ডিয়া! গর্ব না কলঙ্ক সেটাই প্রশ্ন।”

স্বস্তিকা লিখেছেন,”শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ, প্রতিরোধ, গণপিটুনির সংস্কৃতি, ধর্ষণের সংস্কৃতি এবং মেনে নেওয়া সমস্ত সংস্কৃতি সমস্ত কিছু আমার মাথার ভিতরে যেন ভেঙে পড়ছে। তবুও সাধারণতন্ত্র। আর কবে জেগে উঠব?”

অভিনেত্রী তথা তৃণমূল সাংসদ নুসরত টুইটারে লিখেছেন, “সাধারণতন্ত্র দিবসের এই দৃশ্য॥ আমার মন ভেঙে দিয়েছে। যাঁরা সারা বছর অক্লান্ত পরিশ্রম করে আমাদের মুখে অন্ন তুলে দেন সেই কৃষক ভাই-বোনদের উপর নির্মমভাবে আক্রমণ করেছে মোদী সরকার। আজ সারা বিশ্বের নজরে আমরা, এটা বন্ধ হওয়া উচিত।”

প্রজাতন্ত্র দিবসে কৃষকদের ট্র্যাক্টর র‍্যালি ঘিরে রক্তাক্ত হয় দিল্লির রাজপথ। এদিন কৃষকদের ট্র্যাক্টর প্যারেডের অনুমতি দিয়ে রুট নির্ধারণ করে দিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। কিন্তু আন্দোলনকারীরা সে সব মানলেন না।সীমান্ত পেরিয়ে দিল্লির বিভিন্ন রাস্তায় ঢুকে পড়ে বিদ্রোহী কৃষকরা। দুর্বার গতিতে তা দিল্লির বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়ে৷ তাঁদের পথ আটকাতে দিল্লির নয়ডা মোড়, আইটিও মোড়, এসবিটি এলাকায় খণ্ডযুদ্ধ বাধে দুই পক্ষের৷ কিন্তু কোনও ভাবেই তাঁদের থামনানো যায়নি৷ সোজা পৌঁছে যায় লালকেল্লায় জাতীয় পতাকার কাছাকাছি। গম্বুজের মাথায় জাতীয় পতাকা উড়ছিল। নীচে পোঁতা ছিল আরও একটি পাইপ। সেই পাইপ বেয়ে উঠে সংগঠনের পতাকা টাঙিয়ে দেন এক জন। লালকেল্লার গম্বুজের উপরেও উঠে পড়েন অনেকে।

স্বাভাবিক ভাবেই এ নিয়ে বিতর্ক দানা বেঁধেছে। পুলিশের নির্দিষ্ট রুট না মানা, বিভিন্ন জায়গায় বিশৃঙ্খল আন্দোলন, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের পাশাপাশি লালকেল্লায় এ ভাবে পতাকা উত্তোলনের সমালোচনা করেন অনেকেই। দিল্লির পুলিশের শীর্ষ কর্তাদের বক্তব্য, ট্র্যাক্টর প্যারেডের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু নির্দিষ্ট রুট মানেননি কৃষকরা। সকাল থেকে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের আহ্বান জানানো হচ্ছে, কিন্তু তাঁরা কিছুতেই কর্ণপাত করছেন না। এটা শান্তিপূর্ণ আন্দোলন নয়।

দিল্লি জুড়ে অরাজকতা চালানোর দায়ে অভিযুক্ত অন্তত ২০০ জনকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ। এছাড়াও ২২টি মামলা দায়ের হয়েছে। জানা গিয়েছে সেসব মামলায় ৩০০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। সরকারি সম্পত্তি নষ্ট, দিল্লি পুলিশের উপর হামলা সহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে এদের বিরুদ্ধে। এদিকে ইতিমধ্যেই অভিযুক্তদের ধরতে সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।