মাসের প্রথমে সবার হাসিমুখ ,তার কারণ একটাই। হ্যাঁ ঠিক ধরেছেন ,পকেট পুরোপুরি ভর্তি যে ৷ তবে এই হাসিমুখ কিন্তু মাসের শেষেই পুরো থমথমে হয়ে যায়, তার কারণটা নিশ্চই আমাদের কারোরই অজানা নয় ৷ পয়সায় টান পড়লে যে দৈনিক লাইফস্টাইলেও বেশ ভোলবদল হয়, তা আশা করি মনে না করালেও চলবে, তাই নয় কি ? তবে একটু নিজের খুশিকে সীমাবদ্ধ করতে পারলেই একেবারে কেল্লাফতে ৷ চলুন দেখে নেওয়া যাক কিভাবে মাসের প্রথম থেকে একেবারে মাসের শেষ পর্যন্ত আপনি নিজেই আপনার হাসিমুখটা একইভাবে বহাল রাখতে পারবেন ৷

জাঙ্কফুড না খাওয়া

শুধু পকেটই নয় , স্বাস্থ্য সচেতনতার দিক থেকেও নিজেকে সুস্থ রাখতে বাজারের লোভনীয় জাঙ্ক ফুডকে সহজেই বর্জন করুন। তাহলে ডাক্তারের চেম্বার থেকেও আপনি নিজে যেমন থাকবেন দূরে , ঠিক তেমনি বাইরের দামি খাবারের উপর খরচের রেশ টানলে পকেটও খালির হাত হতে বাঁচবে অনেকটাই।

দৈনিক ব্যায়াম করা

স্বাস্থ্যের সমস্যা মানেই চিকিত্সায় খরচ ৷ তাই নয় কি? জিমে গিয়ে শরীর ফিট রাখা খুব সহজ কাজ ৷ তবে  জিম ছেড়ে বাড়িতেই ফ্রি হ্যান্ড ব্যায়াম করলে আপনার পকেট অযথা অর্থ ব্যায় থেকে যেমন বাঁচবে, ঠিক তার পাশাপাশি সারা জীবন আপনাকে দেবে একটি সুন্দর সুস্থ্য জীবন।

শপিং মল এড়িয়ে চলুন

শপিং মলের উজ্জ্বল চমকপ্রদ দোকানগুলো ক্রেতাদের নজর কারার জন্য সর্বদা উদগ্রীব ৷ তবে নিজের লালসাকে একটু আয়ত্তে রাখলে মাসের শেষে পকেটে টানের হাত থকে কিন্তু পুরোপুরি মুক্তি ৷ ব্র্যান্ডেড লাগানো জামাকাপড় বেশি দাম দিয়ে না কিনে একটু নিজেকে বুঝে চললেই হাসিমুখ শেষ মাস পর্যন্ত বজায় থাকে ৷

অ্যালকহল কমান

হাস্যকর হলেও সত্য! পকেটের প্রায় বেশ কিছু অংশ খরচের জন্য দায়ী হতেই পারে আপনার দৈনন্দিন জীবন। আর অ্যালকোহলের ব্যবহার ৷ সুতরাং মাসের শেষে নিজের মুড চনমনে রাখতে হলে এর অভ্যাস থেকে ধীরে ধীরে করুণ নিজেকে মুক্ত ৷

রেস্টুরেন্ট এড়িয়ে চলুন

এটি বলছি না যে মাসে একবারও যাবেন না। বাড়ির দৈনিক খাওয়ারের মুখবদল করতে রেস্তোরাঁয় যেতেই হবে। তবে সেটি মাসে তিন থকে চার বার হলেই কিন্তু বেশ চাপের ৷ দোকান বা রেস্তোরাঁর খাবারের মুখে স্বাদের বদল হয় ঠিকই, তবে দামিদামি খাওয়ার গুলি খুব সহজেই থাবা বসায় মাসিক খরচের পকেটে ৷ তাই একটু সামলে চললেই এর হাত থেকে মিলবে মুক্তি ৷

ঘরকেই করতে পারেন বন্ধুদের আপ্যায়নের স্থান

বাইরে অযথা দামি বিলাশ বহুল স্থানে বন্ধুদের আপ্যায়ন না করে, ভালো মুখরোচক খাওয়ার বাড়িতেই বানিয়ে ফেলে সকলকে তাক লাগানোর পাশাপাশি নিজের পকেটমানিও সহজেই করতে পারেন সেভ ৷

পিগি ব্যঙ্কের টাকা জমান

অভ্যাসে  আনুন একটু ভোলবদল ৷ প্রতিদিন নিয়ম করে আপনার পকেট থেকে কিছু টাকা রেখে দিন পিগি ব্যঙ্কে ৷ দেখবেন মাসের শেষে এর জাদু ৷ হাসিমুখটি যেন খুব সহজেই ধরে রাখবে আপনার ঐ ছোট    পিগি ব্যঙ্কটি ৷