রিয়াধ ও আবুধাবি: শেষপর্যন্ত কি ২০২০ সালের হজ যাত্রা কর্মসৃচি বাতিল করতে চলেছে সৌদি আরব সরকার? এই প্রশ্নে তোলপাড় ইসলামিক দুনিয়া। সরাসরি এখনও কিছু না জানালেও করোনা মহামারি সংক্রমণের কারণে হজ বাতিলের দিকেই পাল্লা ভারি বলে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থাগুলি জানাচ্ছে।

সৌদি হজ মন্ত্রকের ইঙ্গিত এক সপ্তাহের মধ্যে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে। অগস্টের ২৯ তারিখে হজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। ইতিমধ্যে রয়টার্স, বিবিসির মতো আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থাগুলি জানিয়েছে, সৌদি আরবে বিভিন্ন দেশ থেকে যত সংখক হজযাত্রী যাওয়ার কথা তার মাত্র ২০ শতাংশকে আসতে দেওয়া হবে এমন সম্ভাবনা রয়েছে। রিপোর্টে উঠে এসেছে, সাধারণ সময়ে ২৫ লক্ষের মতো ইসলাম ধর্মাবলম্বী হজ পালন করতে সৌদি আরব যান।

এবার করোনা সংক্রমণের ভয়াবহতা লক্ষ্য রেখেই কড়া সিদ্ধান্ত নিচ্ছে সৌদি সরকার। একের পর এক ইসলামিক দেশের সরকার হজ যাত্রা কর্মসূচি বাতিল করছে। প্রথম এই সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের দেশ ইন্দোনেশিয়া। একে একে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া হজ বাতিল করেছে। শনিবার ব্রুনেই জানিয়ে দিল এবছরের হজ বাতিল। দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার ছোট্ট দেশ ব্রুনেই।

এটি একটি রাজতান্ত্রিক ইসলামি দেশ। বিশ্বের অন্যতম ধনী ব্যক্তির তালিকায় আছেন ব্রুনেইয়ের সুলতান। করোনাভাইরাসের হামলা তেমন নেই এখনও এখানে। ওয়ার্ল্ডোমিটার জানাচ্ছে, শতাধিক আক্রান্ত, মৃত দু’জন। নিজেদের কে করোনা থেকে দূরে রাখতে চেয়েই হজ যাত্রার মতো বিশ্বজোড়া জনসমাবেশ থেকে এবার সরে এলো ব্রুনেই।

ওয়ার্ল্ডোমিটারের হিসেব, সৌদি আরবে করোনা সংক্রামক রোগীর সংখা ১ লক্ষ ১৯ হাজারের বেশি। মৃত ৮০০ পার করেছে। সংক্রমণ রুখতে প্রথম দিকে মক্কা, মদিনার মতো পবিত্র স্থানে জমায়েত বন্ধ করে সৌদি সরকার। পরে সীমিত আকারে কিছু মসজিদের দরজা উন্মুক্ত করা হয়। এদিকে ইসলামি অনুশাসন ও তারিখ মেনে হজের দিন এগিয়ে আসছে। সিএনএন ও সিএনবিসি সংবাদ মাধ্যমের খবর, পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে দ্রুত এবারের মতো হজ বাতিল হচ্ছে বলেই জানাবে সৌদি আরবের সরকার।

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।