রিয়াধ: চাঞ্চল্যকর দাবি সৌদি আরব সরকারের৷ জেড্ডা শহরে মার্কিন কনস্যুলেটের সামনে আত্মঘাতী বিস্ফোরণে মৃত জঙ্গি আদতে ভারতীয় নাগরিক৷ ডিএনএ টেস্টের রিপোর্ট থেকেই এমন তথ্য মিলেছে৷ জানিয়ে দিল সৌদি আরব সরকার৷ দু’বছর আগে এই নাশকতায় কেঁপে গিয়েছিল আরব দুনিয়া৷ প্রাথমিকভাবে উঠে এসেছিল আত্মঘাতী জঙ্গি একজন পাকিস্তানি৷

জেড্ডা শহরের বিস্ফোরণের পর কাগজির ছবি প্রকাশ করে আরব গোয়েন্দা বিভাগ৷ সেই সূত্র ধরে এনআইএ ও মহারাষ্ট্র এটিএস হামলাকারী সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করে৷ বিস্তারিত তথ্য জানতে বিভিন্ন ডিএনএ নমুনা সৌদি আরবে পাঠানো হয়৷ সেই নমুনা থেকেই প্রমাণ হয়েছে কাগজি একজন ভারতীয় নাগরিক৷

২০১৬ সালের ৪ জুলাই৷ পরপর বিস্ফোরণ ঘটানো হয় সৌদি আরবের জেড্ডা, কাতিফ ও মদিনায়৷ এতে মৃত্যু হয় চারজনের৷ সেই ঘটনার তদন্তে নামে সৌদি প্রশাসন৷ রিপোর্টে বলা হয়েছে, লস্কর ই তইবা জঙ্গি গোষ্ঠীর সদস্য কোনও পাকিস্তানি নাগরিক নয়৷ সেই জঙ্গি ভারতীয়৷ তার নাম ফইয়াজ কাগজি৷ আরব থেকে রিপোর্ট পেতেই নড়ে চড়ে বসেছে ভারতের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনআইএ৷ ভারতের গোয়েন্দা বিভাগের রিপোর্ট, লস্কর জঙ্গি কাগজি প্রথমে গোপনে বাংলাদেশ পালিয়ে যায়৷ সেখান থেকে পাকিস্তান চলে যায়৷

রিপোর্টের ভিত্তিতে জানানো হয়েছে, লস্কর জঙ্গি ফইয়াজ কাগজি কয়েকটি জঙ্গি কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল৷ জানা গিয়েছে, কাগজি মহারাষ্ট্রের বাসিন্দা৷ ২০১ সালের পুনের জার্মান বেকারি বিস্ফোরণ ও ২০১২ সালের জেএম রোডে বিস্ফোরণের মামলায় সে জড়িত৷ সূত্রের খবর, লস্কর জঙ্গি কাগজি ২০০৬ সালের ঔরঙ্গাবাদে বেআইনি অস্ত্র চালান মামলায় জড়িত৷ ২০৮সালের মুম্বই হামলার সে একজন অস্ত্র চালানকারী৷ ইন্টারপোল ওয়ান্টেড তালিকায় তার নাম আছে৷ তবে ২৬/১১ মুম্বই হামলায় সরাসরি জড়িত ছিলা না কাগজি৷ গোয়েন্দাদের ধারনা, এই লস্কর জঙ্গির মদতেই পাকিস্তান থেকে ভারতে প্রবেশ করেছিল আজমল কাসভ সহ মুম্বই হামলার জঙ্গিরা৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।