ঢাকা:  ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে মিশে থাকা বিশ্বের সব থেকে বড় ম্যানগ্রোভ অরণ্যের খাঁড়ি জলাশয়ে সম্প্রতি কয়েকটি কচ্ছপ দেখে চাঞ্চল্য ছড়ায়৷ কারণ ওই কচ্ছপগুলির পিঠে ছিল স্যাটেলাইট ট্রান্সমিটার৷ এর পরেই বিষয়টি নিয়ে শুরু হয়েছে অনুসন্ধান৷ দুই দেশের সীমান্তবর্তী গভীর জঙ্গলে এমন ট্রান্সমিটার বসানো কচ্ছপ কেন তার কারণ খুঁজে দেখেছে বিবিসি৷

রিপোর্টে বলা হয়েছে, বাটাগুর বাসকা নামে বিলুপ্ত প্রজাতির কচ্ছপগুলোর জীবনাচার সম্পর্কে গবেষণার অংশ হিসেবেই ওই কচ্ছপগুলোর শরীরে স্যাটেলাইট ট্রান্সমিটার যুক্ত করা হয়েছে। যেন তাদের গতিবিধি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। এই গবেষণা প্রকল্পের আওতায় দেশি বিদেশি মিলিয়ে মোট চারটি সংস্থা কাজ করছে বলে জানা গেছে।

বাংলাদেশের দিকে পড়া সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের প্রধান বন কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান জানিয়েছেন- বাংলাদেশের বন বিভাগ, প্রকৃতি ও জীবন, ভিয়েনা চিড়িয়াখানার গবেষণা দল ভিয়েনা জু এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কচ্ছপ সংরক্ষণ বিষয়ক সংস্থা টার্টেল সার্ভাইভাল অ্যালায়েন্স যুক্ত এই গবেষণায়৷

এতে উঠে এসেছে, বাটাগুর বাসকা প্রজাতির এই কচ্ছপগুলোকে সুন্দরবনের প্রকৃতিতে আর পাওয়া যাচ্ছে না। বন বিভাগ এই প্রজাতির কয়েকটা কচ্ছপ নিয়ে রিয়ারিং অর্থাৎ নিবিড় পর্যবেক্ষণে লালন পালন শুরু করেছে যেন বড় হওয়ার পর প্রকৃতিতে তাদের স্বাভাবিক প্রজনন নিশ্চিত করা যায়। গত বছরের দোসরা অক্টোবর ৫টি বাটাগুরা বাসকা প্রজাতির পুরুষ কচ্ছপের শরীরে রেডিও ট্রান্সমিটারের সঙ্গে স্যাটেলাইট যুক্ত করে বঙ্গোপসাগরের মোহনায় ছেড়ে দেয়া হয়।

গবেষকরা জানিয়েছেন, প্রকৃতি থেকে এই স্ত্রী কচ্ছপের সংখ্যা কমে আসায় এই প্রজাতিটি রক্ষা করা আশঙ্কার মধ্যে রয়েছে। স্যাটেলাইট-যুক্ত কচ্ছপগুলির ওজন প্রায় সাড়ে ১২ কেজি বলে জানা গেছে। স্থানীয় এলাকার মৎস্যজীবীদের কয়েকজন এরকম কচ্ছপ দেখে চমকে যান৷ পরে বন বিভাগে খবর দেওয়া হয়৷ সেগুলি উদ্ধার করেন বনকর্মীরা৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।