স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা : সারদাকাণ্ডে ইডি দফতরে তৃণমূলের দুই বারের সাংসদ শতাব্দী রায়। বৃহস্পতিবার দুপুর ২টো নাগাদ সল্টলেক সিজিও কমপ্লেক্সের ইডি দফতরে আসেন তিনি। যদিও সারদার টাকা ফেরত্ দিতে চেয়ে ইতিমধ্যেই ইডিকে চিঠি দিয়েছেন শতাব্দী রায়। সেই সংক্রান্ত বিষয়েই ইডি দফতরে শতাব্দী রায় এসেছেন বলে জানা যাচ্ছে।

যদিও এনফোর্সনেট ডিরেক্টরেট সূত্রে জানা গিয়েছে, সারদা-কান্ডে একাধিক বিষয় তদন্তকারীদের হাতে এসেছে। আর তা খতিয়ে দেখতেই গত কয়েকদিন আগেই শতাব্দী রায়কে তলব করে ইডি। কিন্তু সংসদ চলার জন্যে তদন্তকারীদের কাছে সময় চেয়ে নিন তিনি। কিন্তু আজ বৃহস্পতিবার জেরার মুখোমুখি হতেই ইডি দফতরে শতাব্দী রায় এসেছেন বলে জানা গিয়েছে।

সূত্রের খবর, সারদার কাছ থেকে প্রায় ২৯ লক্ষ টাকা পেয়েছিলেন শতাব্দী রায়। সম্প্রতি সারদাকাণ্ডের তদন্তে সিবিআই-এর পাশাপাশি তত্পর হয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডিও। বীরভূমের দুই বারের সাংসদ শতাব্দী রায়কে তলব করে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল ইডি । তাতে তদন্তকারীরা জানতে পারেন, সারদার একটি সংস্থার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর ছিলেন শতাব্দী। ওই সংস্থার সঙ্গে সারদার আর্থিক লেনদেন হয়েছে বলে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার দাবি । এবার তদন্তকারী অফিসারেরা শতাব্দীর কাছে জানতে চাইবে কী কারণে আর্থিক লেনদেন হয়েছিল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.