কলকাতা ও সিউড়ি: সংক্রান্তির দিন বীরভূমের তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ শতাব্দী রায় কে ঘিরে শিরে সংক্রান্তি দলেরই অভ্যন্তরে। সাংসদ স্পষ্ট জানিয়েছেন “এই নতুন বছরে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেষ্টা করছি যাতে আপনাদের সঙ্গে পুরোপুরি থাকতে পারি। আপনাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।”

কী সিদ্ধান্ত নেবেন বীরভূমের দু’বারের সাংসদ? শতাব্দী স্পষ্ট করেননি। তবে তিনি লিখেছেন, “2009 সাল থেকে আপনারা আমাকে সমর্থন করে লোকসভায় পাঠিয়েছেন। আশা করি ভবিষ্যতেও আপনাদের ভালোবাসা পাব।”

এখানেই শিরে সংক্রান্তি তৃণমূল কংগ্রেসের। শতাব্দী রায়ের ফেসবুক পোস্টের পরেই বীরভূম জুড়ে আলোচনা, বাংলা সিনেমার ‘লাল পান বিবি’ কি এখন দলেরই কাছে ‘আতঙ্ক’? বাংলা চলচ্চিত্র দুনিয়ায় অসংখ্য বাণিজ্যিক সফল ছবির অভিনেত্রী শতাব্দী। তাঁর অভিনীত দুটি বহুল আলোচিত ছবি হলো ১৯৮৬ সালের ‘আতঙ্ক’ এবং ১৯৯৪ সালের ‘লাল পান বিবি’। বাংলা ছবির জগতে আতঙ্ক বিশেষ স্থান নিয়ে রেখেছে।

শতাব্দী রায় লিখেছেন, “সাংসদ অনেক পরে, তার অনেক আগে থেকেই শুধু শতাব্দী রায় হিসেবেই বাংলার মানুষ আমাকে ভালোবেসে এসেছেন। আমিও আমার কর্তব্য পালনের চেষ্টা করে যাব।যদি কোনো সিদ্ধান্ত নিই আগামী 16 জানুয়ারি 2021 শনিবার দুপুর দুটোয় জানাব।”

বিধানসভা নির্বাচনের আগে শাসক দলের ভাঙন চলছেই। একের পর এক নেতা, বিধায়ক তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গ ত্যাগ করে বিজেপি শিবিরে নাম লেখাচ্ছেন। ২০১১ সালে রাজ্যে তিন দশকের টানা বামফ্রন্ট সরকারের পতন হয়। ক্ষমতায় আসে তৃণমূল কংগ্রেস। বাম জমানার আবাসন মন্ত্রী ও শীর্ষ সিপিআইএম নেতা গৌতম দেবের কটাক্ষ ছিল, একদিন তৃণমূল দলটাই উঠে যাবে।

টানা দুটি মেয়াদ রাজ্যে ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেসে এবার নির্বাচনের আগে দলত্যাগের হিড়িক লেগেছে।

প্রাক্তন বাম মন্ত্রী গৌতম দেবের কথা মিলছে বলেই তৃণমূলেই গুঞ্জন। বিরোধী বাম, কংগ্রেস ও বিজেপি মহলে আলোচনা একই।

সাংসদ শতাব্দী রায় শনিবার কী বলবেন? ‘আতঙ্ক’ থেকেই যাচ্ছে শাসক দলে।

 

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।