কলকাতা: আবারও গোয়েন্দা চরিত্রে অভিনেতা শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়। চরিত্র যেটাই হোক না কেন তার সঙ্গে অনায়াসে খাপ খাইয়ে নিতে পারেন তিনি। আর এই গল্পের গোয়েন্দা শাশ্বতর সন্দেহের চোখ অভিনেত্রী সায়নী ঘোষের দিকে। যদিও আপাতত অভিনেত্রী সায়নী ব্যস্ত তার নির্বাচনী প্রচারে। কিন্তু তাকে ছাড়াই চলছে এই ছবির ডাবিং পর্ব।

আমার সিনেভিশন’ প্রযোজিত ছবি ‘রহস্যময়’ পরিচালনা করেছেন সৌম্য ঘোষ এবং সুপ্রিয় ভট্টাচার্য। দুই দম্পতিকে ঘিরে এ ছবির গল্প আবর্তিত হয়। এরা হল আদিত্য ও এষা, অভিমন্যু ও তিথি। ৪ জনেই আইটি সংস্থায় কর্মরত। হঠাৎ রহস্য মৃত্যু হয় অভিমন্যুর। আর সে ঘরে অভিমন্যুর স্ত্রী তিথি মানে সায়নী একাই ছিলেন। যদিও সায়নীকে পাওয়া গিয়েছিল অচৈতন্য অবস্থায়। দরজা ও জানলা ভিতর থেকে বন্ধ ছিল। এই ঘটনার অনুসন্ধান করতে এসেই গোয়েন্দা শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়ের সন্দেহের তীর গিয়ে পড়ে সায়নীর ওপর।

সায়নী ঘোষ, অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়, শাশ্বত চট্টোপাধ্যায় ছাড়াও এই ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় অভিনয় করছেন অমৃতা চট্টোপাধ্যায় এবং আর্য।  কোভিড পরিস্থিতির কারণে প্রায় এক বছর পিছিয়ে গিয়েছিল ছবিটি। এই ছবির জন্য ডাবিং শুরু করলেন অভিনেতা শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়। সম্প্রতি মুম্বইতে পরিচালক অনুরাগ কাশ্যপের ছবির শুটিং শুরু করেছেন অভিনেতা শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়। বলিউড তার সেকেন্ড হোম হলেও তার জীবনের প্রাওরিটি কিন্তু বরাবরই ছিল বাংলা চলচ্চিত্র।

অন্যদিকে অভিনেত্রী সায়নী ঘোষ আপাতত ব্যস্ত ভোট প্রচারে। আসনসোল দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূলের তারকা প্রার্থী তিনি। মিছিলে হাঁটতে হাঁটতে জনসংযোগ করছিলেন তিনি। সবই ঠিক ছিল। কিন্তু হঠাৎই জনসংযোগ করতে গিয়ে রীতিমতো শাড়ির কুঁচি ধরে দৌড়াতে শুরু করেন সায়নী। সূত্রের খবর, বাড়ি বাড়ি প্রচার করার সময়, সায়নীর গা ঘেঁষে ভিড় করতে থাকেন কিছু লোক। তাতেই বিরক্তিত হয়ে হঠাৎই দৌড়াতে শুরু করেন। শাড়ির কুঁচি ধরেই দৌড় সায়নীর। এরপর এক জায়গায় দাঁড়িয়ে সায়নী স্পষ্ট করে বুঝিয়ে দেন, কেউ যেন তাঁর কাছাকাছি না আসেন। আবার হাঁটতে শুরু করেন তিনি। ভোটের চাপ আর বিনোদন দুই একসঙ্গে কীভাবে সামলায় অভিনেত্রী তাই আপাতত দেখার।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.