পানাজি: শেষ কয়েকবছরে দলে বাঙালি ফুটবলারদের আধিক্য না থাকায় কম সমালোচিত হতে হয়নি ইস্টবেঙ্গলকে। আইএসএলে পদার্পণ করার বছরে তুলনায় অনেক বেশি সংখ্যক বাঙালি ফুটবলার দলে নিয়েছে কলকাতা জায়ান্টরা। গোলরক্ষক দেবজিত থেকে শুরু করে মহম্মদ রফিক, রানা ঘরামি, সামাদ আলি মল্লিকের মত বাঙালি ফুটবলারের সংখ্যাধিক্য হয়েছে ইস্টবেঙ্গল দলে। জানুয়ারি ট্রান্সফার উইন্ডোর শেষদিনে এসে আরও দুই বাঙালি ফুটবলারকে দলে নিয়ে ইস্টবেঙ্গল চমক দিল বলা যায়।

ডেডলাইন ডে’তে সার্জিও লোবেরার মুম্বই সিটি এফসি থেকে ডিফেন্ডার সার্থক গোলুই এবং মিডফিল্ডার সৌরভ দাসকে তুলে নিল রবি ফাওলারের ইস্টবেঙ্গল। ২৩ বছরের বাঙালি ডিফেন্ডার গোলুই ২০১৯-২০ মরশুমের শুরুতে পুনে সিটি এফসি থেকে মুম্বই সিটি এফসি’তে যোগ দিয়েছিলেন। প্রাক্তন কোচ জর্জ কোস্তার অধীনে গত মরশুমে আইএসএলে ১৩টি ম্যাচ খেললেও চলতি মরশুমে লোবেরার স্ট্র্যাটেজিতে প্রথম একাদশে ভীষণ অনিয়মিত ছিলেন গোলুই। মুম্বইয়ের ১৪টি ম্যাচ খেলা হয়ে গেলেও মাত্র চারটিতে চলতি মরশুমে গোলুইকে সুযোগ দিয়েছেন লোবেরা। যার মধ্যে শেষ ম্যাচে নর্থ-ইস্টের বিরুদ্ধে পরিবর্ত হিসেবে নেমেছিলেন অতীতে মোহনবাগানে খেলে যাওয়া গোলুই।

ওই ম্যাচে ১-২ ব্যবধানে হারে মুম্বই। অন্যদিকে ২০১৮-১৯ মোহনবাগানের জার্সি গায়ে ভাল পারফরম্যান্স করে ২০১৯-২০ মুম্বই সিটি এফসি’তে যোগ দিয়েছিলেন সৌরভ দাস। গত মরশুমে কোস্তার অধীনে ৭টি ম্যাচ খেললেও চলতি মরশুমে এখনও অবধি লোবেরার অধীনে মাত্র একটি ম্যাচ খেলেছেন বাঙালি মিডফিল্ডার। কিন্তু আগামী মরশুমের কথা ভেবে এই দুই তরুণ বাঙালি ফুটবলারকে দলে নিতে চেয়েছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল। অবশেষে সেই লক্ষ্যে সফল কলকাতা জায়ান্টরা। আইল্যান্ডারদের সঙ্গে চুক্তি ভঙ্গ করে শতবর্ষের ক্লাবে পাকাপাকিভাবে চুক্তিবদ্ধ হলেন সার্থক এবং সৌরভ। যা রক্ষণ এবং মাঝমাঠে ফাওলারের অভাব অনেকটা পূরণ করতে পারে বাকি ম্যাচগুলোতে।

অন্যদিকে জানুয়ারি ট্রান্সফার উইন্ডোর শেষ বাজারে বড়সড় চমক দিল এটিকে-মোহনবাগান। এফসি গোয়া থেকে ইউটিলিটি মিডফিল্ডার লেনি রডরিগেজকে সোয়াপ ডিলে নিজেদের দলে নিল সবুজ-মেরুন। পরিবর্তে গ্লেন মার্টিন্সকে ছেড়ে দিল তারা। কলকাতার ক্লাবটির সঙ্গে ১৮ মাসের জন্য লেনি চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। সোয়াপ ডিলে লেনির মত ভারতীয় ফুটবল সার্কিটে অভিজ্ঞ একজনকে দলে পেয়ে এটিকে-মোহনবাগান দারুণ লাভবান হল বলা চলে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.