মুম্বই- বলিউডের একের পর এক নক্ষত্র পতন। দুই সপ্তাহের বেশি হয়ে গিয়েছে সুশান্ত সিং রাজপুত ছেড়ে চলে গিয়েছেন। কিন্তু এখনো সেই শোক থেকে বেরোতে পারেননি তাঁর অনুরাগীরা। ঘটনা ঘিরে চলছে তদন্ত। আর তারই মধ্যে চলে গেলেন বলিউডের মাস্টারজি কোরিওগ্রাফার সরোজ খান।

পড়ুন আরও- প্রয়াত সরোজ খান, শুক্রবার মালাডের মালভানিতে শেষকৃত্য

ইনস্টাগ্রামে এই খ্যাতনামা নৃত্যশিল্পীর শেষ পোস্ট ছিল অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতকে নিয়েই। ১৪ জুন বান্দ্রার ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হয় সুশান্ত সিং রাজপুতের ঝুলন্ত দেহ। পুলিশ জানায় অভিনেতা আত্মঘাতী হয়েছেন। সুশান্তকে নিয়েই শেষ পোস্টে সরোজ গান লিখেছিলেন, “তোমার জীবনে এমন কী ঘটলো যে এত বড় সিদ্ধান্ত নিতে হলো? আমি অবাক। তুমি এমন কারো সঙ্গে কথা বলতে পারতে যারা তোমাকে ভালো পরামর্শ দিতে পারত।” সুশান্তের সঙ্গে কখনো কাজ করেননি সরোজ খান। কিন্তু সুশান্ত যে নাচে আগ্রহী এবং পারদর্শী সে বিষয়ে অবহিত ছিলেন মাস্টারজি ।

তাই শেষ পোস্টে সুশান্তকে নিয়ে লিখেছিলেন, “আমি কখনো তোমার সঙ্গে কাজ করিনি। কিন্তু বহুবার দেখা হয়েছে তোমার সঙ্গে। কিন্তু কী এমন ঘটেছিল যার জন্য এত বড় পদক্ষেপ করতে হলো? তুমি তো বড়দের সঙ্গে কথা বলতে পারতে যারা হয়তো তোমায় সাহায্য করতো। তোমার দিকে চেয়ে আমরা খুশি থাকতে পারতাম। ঈশ্বর তোমার আত্মাকে শান্তি দিক। আমার সত্যিই ধারণা নেই তোমার বাবা বোন ও পরিবারের উপর দিয়ে ঠিক কী যন্ত্রনা যাচ্ছে এখন।

এই কঠিন সময়ে তাঁদের প্রতি আমার সমবেদনা রইল। তোমার ছবি দেখে তোমায় ভালোবেসেছি এবং সব সময় ভালবাসব। তুমি শান্তিতে ঘুমাও।” সুশান্তের মৃত্যুর তিনদিনের মধ্যেই শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা নিয়ে বান্দ্রার গুরুনানক হাসপাতালে ভর্তি হন সরোজ খান।

প্রথমে সন্দেহ করা হয়েছিল করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত কিনা তিনি। যদিও পরে তাঁর রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। হাসপাতাল থেকে জানানো হয় তাঁর অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে। সেইমতো একদিনের মধ্যেই তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয় হাসপাতাল থেকে। কিন্তু দুদিন যেতে না যেতেই আবার অসুস্থ হয়ে পড়েন সরোজ খান। ফির হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। এবং অবশেষে শুক্রবার মাঝরাতে মৃত্যু হয় তাঁর। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭১ বছর।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ