ডাবলিন: আয়ারল্যান্ডে অনুষ্ঠিত ত্রিদেশীয় সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে বড় ব্যবধানে হারাল বাংলাদেশ। তামিম ইকবাল ও সৌম্য সরকারের ১৪৪ রানের ওপেনিং পার্টনারশিপের দৌলতে ৩০ বল বাকি থাকতে মাত্র ২ উইকেট হারিয়েই ২৬১ রানের লক্ষ্যমাত্রা হাসিল করে নিল তারা।

প্রথম ম্যাচে আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওয়ান ডে ক্রিকেটের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ওপেনিং পার্টনারশিপের নজির গড়েছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের শাই হোপ ও জন ক্যাম্পবেল। প্রথম ম্যাচের পর দ্বিতীয় ম্যাচেও ঝকঝকে শতরান এল ওপেনার শাই হোপের (১০৯) ব্যাট থেকে। তবে আয়ারল্যান্ড ম্যাচের মত স্কোরবোর্ডে বড় রান তুলতে এদিন ব্যর্থ হয় ক্যারিবিয়ানরা। আরেক ওপেনার সুনীল আমব্রিসের ৩৮ ও রস্টন চেসের অর্ধশতরানে (৫১) ভর করে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ২৬১ রান তুলতে সমর্থ হয় তারা।

পেসাররা রান খরচ করলেও শাকিব আল হাসান ও মেহদি হাসানের নিয়ন্ত্রিত স্পিনে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে অল্প রানে বেঁধে রাখতে সক্ষম হয় টাইগাররা। ৪৯ রান দিয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন অধিনায়ক মাশরাফি। ২টি করে উইকেট নেন সইফুদ্দিন ও মুস্তাফিজুর। তবে ২টি উইকেট নিলেও এদিন ১০ ওভারে ৮৪ রান খরচ করেন বাঁ-হাতি পেসার। ১টি করে উইকেট নেন শাকিব ও মেহদি।

রান তাড়া করতে নেমে দুই তামিম ও সৌম্যর ওপেনিং জুটিই জয়ের ভিত গড়ে দেয় বাংলাদেশের। ক্যারিবিয়ান বোলারদের উপর আধিপত্য বজায় রেখে ওয়ান ডে ক্রিকেটে এদিন তাঁর ৪৫ তম অর্ধশতরানটি পূর্ণ করেন তামিম। অর্ধশতরান আসে সৌম্যর ব্যাট থেকেও। দুরন্ত স্ট্রাইক-রেটে ব্যাট করে ৬৮ বলে ৭৩ রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন এই বাঁ-হাতি ওপেনার। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ১৪৪ রান।

এরপর ব্যক্তিগত ৮০ রানে তামিম যখন গ্যাব্রিয়েলের শিকার হন, ৮০ বলে বাংলাদেশের তখন প্রয়োজন ছিল মাত্র ৬৬। দুই ওপেনারের গড়ে দেওয়া ভিতে এরপর দলের জয় সুনিশ্চিত করেন শাকিব আল হাসান ও মুশফিকুর রহিম। দলের তৃতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে এদিন অর্ধশতরান আসে সাকিবের ব্যাট থেকে। ৬১ বলে ৬১ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি।

অন্যদিকে ২৫ বলে ৩২ রানে অপরাজিত থেকে দলকে কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছে দেন উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান মুশফিকুর। ৫ ওভার বাকি থাকতেই লক্ষ্যমাত্রা ছুঁয়ে ফেলে বাংলাদেশ। সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে বৃহস্পতিবার আইরিশদের মুখোমুখি টাইগাররা।