নয়াদিল্লি: রঞ্জিতে স্বপ্নের ফর্মে মুম্বই ব্যাটসম্যান সরফরাজ খান। উত্তরপ্রদেশের বিরুদ্ধে অপরাজিত ত্রিশতরানের পর হিমাচল প্রদেশের বিরুদ্ধে অপরাজিত দ্বিশতরান। টানা দু’ম্যাচে ব্যাট হাতে দুরন্ত ইনিংসে এলিট ক্লাবে জায়গা করে নিয়েছিলেন বছর বাইশের ব্যাটসম্যান। এরপর সৌরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ৭৮ রানের ইনিংস খেলার পথে প্রথম শ্রেনীর ক্রিকেটে আরও এক এলিট লিস্টে নাম লিখিয়ে নিলেন সরফরাজ। উত্তরপ্রদেশের কমলেশ মাকভানার বলে আউট হওয়ার আগে তিন ম্যাচ মিলিয়ে অপরাজিত অবস্থায় ৬০৫ রান আসে তাঁর ব্যাট থেকে। প্রথম শ্রেনীর ক্রিকেটে যা সপ্তম সর্বোচ্চ।

তালিকায় সবার উপরে নামটি যদিও আর এক ভারতীয় কেসি ইব্রাহিমের। ১৯৪৭-৪৮ প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে ব্যাট হাতে অপরাজিত অবস্থায় সর্বোচ্চ ৭০৯ রান করেছিলেন তিনি। দ্বিতীয় ও তৃতীয়স্থানে রয়েছেন যথাক্রমা গ্রাহাম হিক (৬৪৫) ও বিজয় মার্চেন্ট (৬৩৪)। পরের তিনটি স্থানে রয়েছেন প্যাস্টি হেন্ড্রেন (৬৩০), সুব্রহ্মণিয়ম বদ্রীনাথ (৬২৫) ও পঙ্কজ ধারমানির (৬০৮)। ভিভিএস লক্ষ্মণ, এভারটন উইকেসদের টপকে সপ্তমস্থানে জায়গা করে নিলেন সরফরাজ।

উল্লেখ্য, উত্ত্রপ্রদেশের বিরুদ্ধে সপ্তম মুম্বই ব্যাটসম্যান হিসেবে রঞ্জি ট্রফিতে ত্রিশতরানের নজির গড়েছিলেন সরফরাজ। সুনীল গাভাস্কর, অজিত ওয়াদেকর, বিজয় মার্চেন্ট, সঞ্জয় মঞ্জরেকর, ওয়াসিম জাফর ও রোহিত শর্মার পর এই নজির গড়ে রঞ্জির এলিট ক্লাবে নাম লিখিয়েছিলেন কিংস ইলেভেন পঞ্জাবের এই ব্যাটসম্যান। ত্রিশতরানের ক্লাবে নাম লিখিয়ে সরফরাজ জানান, সচিন তেন্ডুলকর, সুনীল গাভাসকর, ওয়াসিম জাফর, রোহির শর্মার মতো মহান ক্রিকেটারদের পাশে মুম্বইয়ের হয়ে ট্রিপল সেঞ্চুরি ক্লাবে নাম লেখাতে পেরে আমি গর্বিত।’

এরপর হিমাচল প্রদেশের বিরুদ্ধে দ্বিশতরান। একইসঙ্গে তালিনাড়ুর ডব্লুভি রমনের পরে দেশের দ্বিতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে টানা দু’ম্যাচে ত্রিশতরান ও দ্বিশতরানের বিরল নজির গড়েন সরফরাজ। এর আগে ১৯৮৯ তামিলনাড়ুর হয়ে পরপর দুই ম্যাচে ত্রিশতরান ও দ্বিশতরানের বিরল নজির গড়েছিলেন ডব্লুভি রমন। টানা দুটি ম্যাচে সেবার রমনের ব্যাট থেকে এসেছিল ৩১৩ এবং অপরাজিত ২০০ রান। দ্বিতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে রমনের সেই বিরল নজির স্পর্শ করেন সরফরাজ।