লাহোর: বিশ্বকাপের শুরুটা ভালো হয়নি৷ ম্যাঞ্চেস্টারে ভারতের কাছে হারের আগে পর্যন্ত পাকিস্তান দলের ইতিবাচক দিক বলতে ইংল্যান্ডকে হারানো৷ তবে শেষ চারটি ম্যাচে পর পর দক্ষিণ আফ্রিকা, নিউজিল্যান্ড, আফগানিস্তান ও বাংলাদেশকে হারিয়ে সেমিফাইনালের দৌড়ে ঢুকে পড়েছিল পাকিস্তান৷ যদিও শেষমেশ নেট রানরেটে নিউজিল্যান্ডের কাছে পিছিয়ে পড়ে শেষ চারের টিকিট হাতছাড়া হয় সরফরাজদের৷

পাকিস্তানের বিদায়ের পিছনে ভারতের ভূমিকা নিয়ে সোচ্চার পাক সমর্থকরা৷ ইংল্যান্ডের কাছে কোহলিরা না হারলে পাকিস্তান ১১ পয়েন্ট নিয়ে নিরাপদে সেমিফাইনালের বৃত্তে ঢুকে পড়ত৷ তখন ১০ পয়েন্টে আটকে ইংল্যান্ড ছিটকে যেত শেষ চারের লড়াই থেকে৷ সোশ্যাল মিডিয়ায় শুধু পাক সমর্থকরাই নন, বরং পাকিস্তানের বেশ কিছু প্রাক্তন ক্রিকেটারও ভারতকে দোষারোপ করতে ছাড়েননি৷ তাঁদের ধারণা, পাকিস্তানকে ছিটকে দিতেই ইংল্যান্ডের কাছে ভারত ইচ্ছা করে হেরেছে৷

স্বাভাবিকভাবেই বিশ্বকাপ থেকে দেশে ফিরতে এই প্রসঙ্গে পাক অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদের মতামত জানতে চাওয়া হয়৷ পাক ক্রিকেট বোর্ড আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে সরফরাজির কাছে জানতে চাওয়া হয়, ভারতের জন্য তাঁরা বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গিয়েছেন কী না? উত্তরে সরফরাজ স্পষ্ট উড়িয়ে দেন এমন সম্ভাবনা৷ পাক সমর্থক ও প্রাক্তনীদের সঙ্গে এই প্রসঙ্গে একমত হতে পারেননি সরফরাজ৷

পাক অধিনায়ক বলেন, ‘না, না৷ এটা ঠিক নয় (ভারতের জন্য বিদায়)৷ এমনটা বলা একেবারেই উচিত নয়৷ আমার মনে হয় না ভারত আমাদের জন্য হেরেছে৷ ইংল্যান্ড ভালো খেলেছে, তাই জিতেছে৷’

ভারত-ইংল্যান্ড হাইভোল্টেজ ম্যাচের পরিস্থিতি সম্পর্কে ভালোমতোই ওয়াকিবহাল সরফরাজ৷ বড় রান তাড়া করতে নেমে পরের দিকে ব্যাট করা কতটা কঠিন, সেটা বোঝেন বলেই ভারতকে অযথা দোষারোপ করতে নারাজ পাক অধিনায়ক৷ ভারতের উপর দায় চাপিয়ে নিজে অব্যাহতি পেতে চাননি সরফরাজ৷ বরং তিনি মনে করেন, বিশ্বকাপে দলের সামগ্রিক পারফরম্যান্স মোটেও মন্দ নয়৷ তাই তাঁদের লজ্জিত হওয়ার কোনও কারণ নেই৷

দলকে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে তুলতে না পারার জন্য তিনি নেতৃত্ব ছেড়ে দেবেন কী না এই প্রশ্নের উত্তরে সরফরাজ বলেন, ‘ক্যাপ্টেন্সির বিষয়টি সম্পূর্ণ পিসিবি’র হাতে৷ বোর্ড যাকে চাইবে, দলকে নেতৃত্ব দেবে সেই৷ তবে আমার ব্যক্তিগত ধারণা, দল মোটেও খারাপ খেলেনি৷ দলের প্রায় সব ক্রিকেটারই তরুণ৷ যদি বিশ্বকাপের ব্যর্থতা থেকে আমরা শিক্ষা নিতে পারি, তবে এই দলটাকে নিয়ে পাকিস্তান ক্রিকেটকে ভালো জায়গায় পৌঁছে দিতে পারি৷ বিশেষ করে আগামী বছরই টি-২০ বিশ্বকাপ রয়েছে৷ বিশ্বকাপে নিজেদের সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখে এখনই ক্যাপ্টেন্সি ছাড়তে চাই না৷ বাকিটা নির্বাচকদের হাতে৷’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।