ফাইল ছবি

কলকাতা: “শাড়িতে নারী” কথাটি সব নারী ও পুরুষরাই অক্ষরে অক্ষরে জানেন। সারাবছর জিন্স, টপ, কুর্তি পরার পর বাড়ির পুজোর অনুষ্ঠানে বিবাহিত বা অবিবাহিত মেয়ে মানেই শাড়ি পরলে মানাবেই না। ঘরোয়া উৎসবের দিনগুলিতে শাড়িতেই অনন্য হয়ে ওঠে নারীরা। এবার যারা প্রিয়জনের মন জয় করতে শাড়িতেই একদম অন্যরকম সুন্দরী লুক চাইছো, তাদের জন্যে রইলো বিশেষ কিছু টিপস। একেবারে নজরকাড়া স্টাইলে সেজে উঠবে এবার নারীরা।

১. মারাঠি লুক: যারা খুব স্টাইলিশভাবে নিজেকে মেলে ধরতে চাও, তাদের জন্য এই স্টাইলটা “জাস্ট ওয়াও”। একদম অন্যরকম একটা লুক। লুকটা অনেকটাই পুরুষদের ধুতির মত হলেও তাতে নারীত্বের ছাপ তো থাকবেই। তাই বেশ বড় শাড়ি থাকলে সেটাই বাছবেন। এবার শাড়িটি পরার ধরণে শাড়ির শেষ অংশ থেকে বেশ কিছুটা অংশ ছেড়ে রাখতে হবে আগেই। এরপর সামনে একটা গিট দিয়ে দেবেন। তারপর শাড়ির বেঁচে যাওয়া অংশকে ঘুরিয়ে কোমরে গুঁজে নিতে হবে সুন্দর করে। দুটো পায়ের ফাঁক দিয়ে ঘুরিয়ে পেছনদিকে কোমরের কাছে গুঁজতে হবে। আর আঁচল সরু করে প্লিট করে নিলেই কমপ্লিট। এবার নাকে একটা মারাঠি নথ ও খোঁপায় গজরা দিলেই সাজ পারফেক্ট।

২. বলিউড স্টাইল: যেমন ভাবে শাড়ি সাধারণত মেয়েরা পরে সেভাবেই পরতে হবে। শাড়ির কুঁচিটা ছোট-বড়ো রাখা যাবে না একেবারেই। ছোট ছোট কুঁচি করতে হবে অনেকগুলো। আঁচল সরু করে প্লিট করলে ভালো লাগবে এর সঙ্গে। সঙ্গে ন্যুড মেকআপের বাজার আজকাল বেশ গরম।

৩. রাজরানি স্টাইল: শাড়ি পরে রাজরানি হওয়ার শখ সব মেয়েরই থাকে। যেমন ভাবে শাড়ি পরা হয় ওই ভাবেই আগে পুরোটা পরে নিতে হবে। আঁচল করার সময় আঁচল সামনে প্লিট না করে পেছনে নিয়ে গিয়ে এবার ডান কাঁধে নিয়ে প্লিট করে দিতে হবে সরু করে। ওদিক থেকে আবার আঁচলের শেষ খুঁটটা ধরে বাঁদিকে নিয়ে গিয়ে লাগিয়ে দিতে হবে। দেখতে ভি আকৃতি লাগবে সামনে থেকে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।