কলকাতা:  সারদা-কাণ্ডে রাজ্যের হলফনামা তলব করলেন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ও শেখর ববি সারফের ডিভিশন বেঞ্চ। আগামি ১০ দিনের মধ্যে হলফনামায় রাজ্য সরকারকে জানাতে হবে আমানতকারীরা কি ভাবে টাকা ফেরত পেয়েছেন। রাজ্যের উদ্যোগে সারদার আমানতকারীরা টাকা ফেরত পেলেও এখন শ্যামল সেনের কমিশনে অনেক টাকায় পড়ে রয়েছে। সেই টাকা গুলোর বর্তমান অবস্থান কি? তাও জানতে চাওয়া হয়েছে রাজ্যের কাছে।

সেই সমস্ত বিস্তারিত তথ্য কলকাতা হাইকোর্ট আগামী ১০ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে। একই সঙ্গে কমিশন কত জনকে টাকা ফিরিয়েছে এবং কিসের ভিত্তিতে তাদের টাকা দেওয়া হয়েছে তাও জানাতে হয়েছে রাজ্যের কাছে। পাশাপাশি পুনরায় চালু করা যায় কিনা সে বিষয়ে রাজ্যকে জানাতে বলেছে কলকাতা হাইকোর্ট।

আজ বৃহস্পতিবার এই সংক্রান্ত মামলার মামলার শুনানি ছিল। শুনানি শেষে রাজ্যের অস্বস্তি বাড়িয়ে রাজ্যকে এই বিষয়ে হলফনামা পেশের নির্দেশ দেয়। শুনানিতে আদালতের প্রশ্ন, কাজ শেষ হওয়ার আগে কেন শ্যামল সেন কমিশন বন্ধ হয়ে গেল? যে অতিরিক্ত টাকা কমিশনের হাতে ছিল তা কি অন্য কোন এজেন্সি মারফৎ ফেরত দেওয়া যায় আমানত কারীদের? সারদা মামলায় প্রশ্ন হাইকোর্টের। শুনানিতে রাজ্য সরকার জানায়, শ্যামল সেন কমিশনে এখোনো কিছু টাকা রয়েছে। তার পরই বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চে এই প্রশ্ন ওঠে। প্রায় তিন বছর পর চিট ফান্ড সংক্রান্ত শুনানির বিশেষ বেঞ্চে সারদা মামলা ওঠে।

পাশাপাশি রোজ ভ্যালি মামলায় ইডির কাছে কৈফিয়ত তলব করে হাইকোর্ট। প্রায় ৪০০ কোটি টাকা জমা রয়েছে ইডির কাছে। সেই টাকা কিভাবে ফেরত দেওয়া যায় সেই প্রশ্ন তুলেছে আদালত।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.