কলকাতা:  সারদা-কান্ডে চাঞ্চল্যকর মোড়! চিটফান্ড তদন্তে নড়েচড়ে বসল তদন্তকারী আধিকারিকরা। সারদা-তদন্তে নতুন করে বেশ কিছু তথ্য পেয়েছেন সিবিআইয়ের আধিকারিকরা। আর তা খতিয়ে দেখতেই আয়কর দফতরকে চিঠি দিল সিবিআই।

পড়ুন আরও- জাগো বাংলায় সারদা যোগ নিয়ে মুখ খুললেন মমতা

জানা গিয়েছে, সম্প্রতি এই চিঠি দেওয়া হয়েছে আয়কর দফতরকে। কিছু বিস্তারিত তথ্য চেয়ে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সিবিআই সূত্রে খবর, সারদা তদন্তে সিবিআইয়ের নজরে রয়েছে একাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব। খুব শীঘ্রই বেশ কয়েকজনকে এর মধ্যে জেরা করা হতে পারে বলে খবর।

যদিও সিবিআইয়ের নজরে রয়েছে আরও এক প্রভাবশালী জন প্রতিনিধি। তার বিষয়েই বিস্তারিত খোঁজখবর নেওয়া শুরু করেছে কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থা। আর সেই প্রসঙ্গেই এবার আয়কর দফতরকে চিঠি কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার।

পড়ুন আরও- ঘূর্ণাবর্ত ও নিম্নচাপের জেরে ভারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টির পূর্বাভাস

এক সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে, ২০১৪-১৫ সালে আয়কর দফতরের তরফে একটি স্কিমের ঘোষণা করা হয়। যেখানে ছাড় দিয়ে আয়কর মেটানোর বড়সড় সুযোগ দেওয়া হয়। সেইসময় ওই প্রভাবশালী জনপ্রতিনিধি নগদে ২৬০ কোটি টাকা জমা দেন। ওই জনপ্রতিনিধির আয়কর জরিমানা হয় ১০৪ কোটি টাকা।

একেবারে নগদে সেই টাকা মেটানোর বিষয়টি নজর পড়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার। এই বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানতে চায় সিবিআইয়ের তদন্তকারী আধিকারিকরা। আর সেই কারণেই আয়কর দফতরকে চিঠি দিল সিবিআই। আয়কর দফতরকে কাছে ওই সংক্রান্ত নথি তলব করেছে সিবিআই।

তদন্তকারী আধিকারিকদের সন্দেহ, সারদা সহ চিটফান্ডের টাকা নগদে জমা দেওয়া হয়েছিল ওই আয়কর স্কিমে। যদিও এই বিষয়ে আরও নিশ্চিত হতে চাইছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।

অন্যদিকে, সারদা-কাণ্ডের তদন্তে নতুন করে গা ঝাড়া দিয়ে উঠছে তদন্তকারী আধিকারিকরা। জানা যাচ্ছে, খুব শীঘ্রই বেশ কয়েকজনকে জেরা করতে পারে সিবিআই।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.