কলকাতা : প্রায় ১১ মাস বন্ধ থাকার পর স্কুল খুলেছে। তাও শুধুমাত্র নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির। নিচু ক্লাসের পড়ুয়াদের স্কুল এখনও খোলেনি। তা হলে সরস্বতী পুজোয় অঞ্জলি ? জানা যাচ্ছে বাড়িতেই অঞ্জলি দিচ্ছে বেশিরভাগ পড়ুয়া। কলেজের ছাত্র ছাত্রীরাও খুব একটা যায়নি তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে।

বিভিন্ন স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, কোভিড-বিধি মেনে নবম থেকে দ্বাদশের পড়ুয়ারা অংশ নিতে পারবে পুজোয়। বাকি ছাত্রছাত্রীদের জন্য থাকছে অনলাইন ব্যবস্থা। কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়েও অনেক জায়গায় অনলাইনে পুজোর ব্যবস্থা করেছেন উদ্যোক্তারা।তাই স্কুল কলেজে বেশিরভাগ যায়নি। অল্প পড়ুয়া এবং শিক্ষক শিক্ষিকা ও কর্মীদের নিয়ে হয়েছে পুজো। রবীন্দ্র ভারতীর ছাত্রী অহনা শেঠ জানিয়েছেন , ‘আমি ভেবেছিলাম আজ কলেজ যাব কিন্ত প্রথমত ভিড় জমাতে বারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি বাসের সমস্যা আছে। অনেকেই আসছে না। তো সেই মজাটা হবে না। তাই যাব না বলেই ঠিক করেছি’। সঞ্চিতা শিমানি দশম শ্রেণীর ছাত্রী। সে জানিয়েছে ‘স্কুল থেকে আসতে বারন করে দিয়েছে। ভিড় করা বারণ। তাছাড়া অঞ্জলি বাড়িতেই দিয়ে নিয়েছি। খারাপ লাগছে কিন্তু কিছু করার নেই’। কলেজ ছাত্রী উপমা মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ‘কোনও বন্ধু কলেজ যাচ্ছে না। তাছাড়া আমি নিজেই ভিড় থেকে একটু দূরেই থাকতে চাইছি’। হাওড়ার বিধুভূষণ স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে , ‘আমরা খাওয়া দাওয়ার এবারে করাচ্ছি না। পড়ুয়াদের থেকে অর্থও নেওয়া হয়নি। শিক্ষক ও শিক্ষা কর্মীরা নিজেরা টাকা নিয়ে পুজোটা করে নিচ্ছি’

কলকাতার বেশিরভাগ স্কুলেই আবার অনলাইন পুজো দেখানো ও অঞ্জলীর ব্যবস্থা করা হয়েছে। পড়ুয়াদের আসতে বারণ করা হয়নি। যে মনে করবে আসবে। তবে ভিড় যেন কম হয় সেটা বলে দেওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, কোভিড-বিধি মেনে সরস্বতী পুজো হলেও তাতে ভিড় করা যাবে না, জানিয়ে দিয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি। তবে ছাত্রছাত্রীদের আনন্দ থেকে পুরো বঞ্চিত না করতে অনলাইনে পুজোর ব্যবস্থা করেছে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। তারা জানিয়েছে, ফেসবুক, ইউটিউবের মতো সামাজিক মাধ্যমে পুজোর লাইভ সম্প্রচার করা হবে। কোনও স্কুল আবার নিজেদের ওয়েবসাইটে জুড়ে দেবে লিঙ্ক। কেউ অ্যাপেরও আশ্রয় নিচ্ছে। ইচ্ছুক পড়ুয়ারা অনলাইনেই অংশ নিতে পারবে পুজোয়। দিতে পারবে অঞ্জলি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.