স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: সিবিআইয়ের গৃহযুদ্ধ নিয়ে দেশ এখন উত্তাল৷ প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে ছুটিতে পাঠানো হল প্রাক্তন সিবিআই প্রধান অলোক ভার্মা ও সংস্থার স্পেশাল ডিরেক্টর রাকেশ আস্থানা সহ একাধিক অফিসারকে৷ একদিকে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ রাকেশ আস্থানা অন্যদিকে সুপ্রিম কোর্টে গেলেন অলোক ভার্মা৷ এই অবস্থায় কী হবে সারদা-নারদা-রোজভ্যালির মতো চিটফান্ড সংস্থার তদন্ত? সেটাই এখন বড় প্রশ্নের মুখে৷

মোদী ক্ষমতায় আসার পরেই গুজরাত ক্যাডারের আইপিএস অফিসার রাকেশ আস্থানাকে সিবিআইয়ের স্পেশাল ডিরেক্টর করে নিয়ে আসা হয়৷ পশ্চিমবঙ্গের ভুয়ো অর্থলগ্নি সংস্থার তদন্তের তদারকি অফিসার ছিলেন তিনি৷ দায়িত্ব পাওয়ার পর আস্থানা কলকাতায় এসে রাজ্যের তদন্তকারী অফিসারদের সঙ্গে মিটিং করেন৷ তিনি তদন্তের অগ্রগতি আনার চেষ্টা করেছিলেন৷

চিটফান্ড কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে যাওয়া বেশ কয়েকজনকে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে নতুন করে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়৷ রাজ্যের আইপিএস অফিসারদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়৷ রাজ্যের কাছে নতুন করে সারদা বিষয়ক নথি চাওয়া হয়৷ এছাড়াও নারদাকান্ডের রিপোর্ট জমা পড়েছিল তৎকালীন স্পেশাল ডিরেক্টর রাকেশ আস্থানার কাছেই৷

রোজভ্যালিকাণ্ডের তদন্ত চলাকালীন সিবিআইয়ের এক তদন্তকারী অফিসারকে বদল করা হয়৷ চিটফান্ড সংস্থা রোজভ্যালি মামলার দায়িত্বে ছিল একজন বাঙালি অফিসার৷ ডিএসপি সিবিআই ব্রতীন ঘোষাল৷ তাঁর জায়গায় আনা হয় একজন মহিলা সিবিআই অফিসার চোজম শেরপাকে৷

এখন প্রশ্ন উঠেছে দিল্লির বিবাদ নিয়ে কলকাতার তদন্ত কেন হবে না? রাজ্যের এক সিবিআই অফিসারের কথায়, সিবিআইয়ের কেন্দ্রীয় অফিসের অধিকর্তাদের নির্দেশেই তদন্ত প্রক্রিয়া চলে৷ এখন সেই কাঠামো ভেঙে পড়েছে। ফলে এই রাজ্যের তদন্তকারীরা চিটফান্ড সংস্থার তদন্তে ধীরে চলার নীতি নিয়েছেন৷ যদিও সিবিআইয়ের নতুন ভারপ্রাপ্ত অধিকর্তা হিসেবে এম নাগেশ্বর রাও কে নিয়োগ করা হয়েছে৷