মুম্বই: গণেশ পুজো করে সমালোচনার শিকার হলেন অভিনেত্রী সারা আলি খান। মুসলিম হয়েও কেন গণেশ পুজো করলেন এই নিয়ে আক্রমণকারীরা নিশানা করেন সারাকে। এমনকী অভিনেত্রীকে তাঁর ‘আলি খান’ পদবীও ত্যাগ করতে বলা হয়।

সোমবার, গণেশ চতুর্থী উপলক্ষে একটি ছবি পোস্ট করেন সারা। গণপতি মূর্তির সামনে হাতজোড় করে দাঁড়িয়ে ছবিটি তোলেন তিনি। সেই ছবির ক্যাপশনে সারা লেখেন, গণপতি বাপ্পা মোরিয়া। গণেশজি যেন সমস্ত বাধা দূর করেন এবং বছরটিকে সাফল্য, সুখ ও হাসিতে ভরিয়ে তোলেন।

সারার এই পোস্ট দেখেই চটে যান কট্টরপন্থীরা। সঙ্গে সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে শুরু হয় ট্রোলিং-এর বন্যা। কেউ বলেন, এই মুহূর্তে সারার নিজের মুসলিম পদবী ত্যাগ করা উচিত। কেউ আবার বলেন, ‘হিন্দু’ অভিনেতা কার্তিক আরিয়ানের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতার জন্যই সারা এই পোস্ট করেছেন। বিভিন্ন ভাবে সারাকে সোশ্যাল মিডিয়ায় আক্রমণের শিকার হতে হয়।

তবে সারার সমর্থনেও বেশ কয়েকজন নেটিজেন মুখ খোলেন। কেউ কেউ মনে করিয়ে দেন, সারার বাবা অর্থাৎ সইফ আলি খান মুসলিম হলেও, মা অমৃতা সিং শিখ। তাই অন্য ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার অধিকার তাঁর আছে। তবে এই বিষয়ে সারা কোনও মন্তব্য করেননি।

তবে এই প্রথম নয়। কিছুদিন আগে লোকসভা সাংসদ তথা অভিনেত্রী নুসরত জাহানও একই রকম তোপের মুখে পড়েন। হিন্দু ছেলেকে বিয়ে করে সিঁদুর ও মঙ্গলসূত্র পরায় তাঁকে মৌলবাদীদের আক্রমণের শিকার হতে হয়েছিল। যদিও তখনই তিনি স্পষ্ট জানান, তিনি মুসলিমই রয়েছেন। কিন্তু অন্য ধর্মের প্রতিও তাঁর শ্রদ্ধা রয়েছে। তাই কট্টরপন্থীদের সমালোচনায় কান না দিয়ে তাই নুসরতকে ইস্কনের রথ টানতেও দেখা গিয়েছিল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.