কলকাতা: সোমবার বনগাঁ লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে প্রচার করতে আসেন যোগী আদিত্যনাথ। কিন্তু যার জন্যে এই সভা ছিল তাৎপর্যপূর্ণভাবে সে সভায় অনুপস্থিত ছিলেন শান্তনু ঠাকুর। আর তাঁর সভায় না থাকা নিয়ে তীব্র জল্পনা তৈরি হয়। রীতিমত অস্বস্তিতে পড়ে যান বাংলার বিজেপি নেতারা। সভা চলাকালীনই নাকি খোদ বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহের আপ্তসহায়ক ফোন করেন শান্তনুকে।

কিন্তু তাঁর ফোনও তিনি ধরেননি বলে অভিযোগ। অবশেষে এই ঘটনার ২৪ ঘন্টা পর প্রকাশ্যে এলেন বনগাঁ লোকসভার বিজেপি প্রার্থী শান্তনু ঠাকুর। তাও আবার ডাক্তারকে পাশে বসিয়ে।

ব্যক্তিগত চিকিত্সককে পাশে বসিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে অস্বস্তি কাটানোর চেষ্টা করলেন বনগাঁর বিজেপি প্রার্থী শান্তনু ঠাকুর। তাঁর দাবি, যোগীর সভায় তাঁর না থাকার কোনও অন্য কারণ নেই। শারীরিক ভাবে এতটাই অসুস্থ ছিলেন নাকি বিছানা ছেড়ে উঠতেই পারেননি। তাঁর পারিবারিক চিকিৎসকও এই বিষয়ে জানিয়েছেন, গরমে শান্তনুর শরীরে জলাভাব দেখা দিয়েছিল। তাই সোমবার তাঁকে বিশ্রামে থাকতে বলেছিলেন তিনি। কিন্তু তাঁর এই দাবি বিজেপি নেতৃত্ব মানে কিনা সেটাই এখন দেখার।

প্রসঙ্গত, সোমবার বাংলায় একাধিক লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে প্রচারে আসেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। বনগাঁয় ছিল যোগী আদিত্যনাথের সভা। কিন্তু যে প্রার্থীর প্রচারে সভা তাঁরই খোঁজ মেলেনি সভামঞ্চে। এমনকী দলীয় নেতাদের ফোনও শান্তনু ধরেননি বলে জানা গিয়েছে। এরপরেই একাধিক জল্পনা তৈরি হয় রাজনৈতিকমহলে। কিন্তু সেই জল্পনা সম্পূর্ণ খারিজ করে দিয়েছেন শান্তনু।