সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পুজোয় এবার দর্শনার্থীদের প্রবেশ নিষিদ্ধ

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: করোনা মহামারীর মধ্যেই এবার রাজ্যে দুর্গাপুজো হচ্ছে। ভিড়ে করোনা সংক্রমণ বাড়বে, এই আশঙ্কাতেই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিল শহরের নামী পুজো উদ্যোক্তা সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার। পুজোর কটাদিন মণ্ডপে দর্শনার্থীরা প্রবেশ নিষিদ্ধ করলেন পুজো উদ্যোক্তারা।

দর্শকদের কাছে তাঁদের আবেদন, সোশ্যাল সাইটে প্রতিমা ও মণ্ডপ দর্শন করুন। নতুন স্লোগানও তৈরি করেছেন তাঁরা, ‘হেঁটে নয় নেটে দেখুন’। দুর্গাপুজোর সময় ভিড় নিয়ে সতর্ক করছেন চিকিৎসকেরা। দূরত্ববিধি না মানলে করোনা সংক্রমণ কয়েক গুণ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। সে কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার।

পুজো কমিটির সম্পাদক সজল ঘোষ বলেছেন- “দুর্গাপুজোকে ঘিরে পশ্চিমবঙ্গে কয়েক হাজার কোটি টাকার বাজার তৈরি হয়। পুজো না হলে, বাজারটা পুরো ধ্বংস হয়ে যাবে। তাতে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন হাজার হাজার গরিব মানুষ। আবার যদি অসুখটা বেড়ে যায় তাহলে পুজো দেখতে আসাটাই কারণ হয়ে থাকবে। তাই, পুজো এবার শুধু পাড়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে, বাকিরা দেখবেন ভার্চুয়ালি”।

দর্শকদের কাছে তাঁর আবেদন, “আমাদের সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার দুর্গোৎসব সমিতির ফেসবুক পেজে লক্ষ্য রাখুন। প্রতি দিন সেখানেই প্রতিমা দর্শন থেকে মণ্ডপ, সব কিছুই দেখা যাবে। শুধুমাত্র কমিটির সদস্যরা এবং স্থানীয়দের পরিচয়পত্র দেখে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে।”

করোনার কারণে কিন্তু এ বার পরিস্থিতি কিছুটা অন্য রকম। এ বছর মণ্ডপ তৈরি হচ্ছে বদ্রীনাথ মন্দিরের আদলে। সাবেকিয়ানা এবং থিমের মেলবন্ধন থাকছে। এবছর তাঁদের প্রতিমা তৈরি করছেন শিল্পী মিন্টু পাল।

বাংলাদেশে করোনায় মৃত্যু ৫ হাজার ছাড়াল

প্রতি বছরই মণ্ডপ এবং প্রতিমায় চমক থাকে সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পুজোয়। ২০১৯ সালের চমক ছিল সোনার দুর্গা। ২০১৮ সালে প্রায় ৪০ কোটি টাকার রূপোর রথ তৈরি হয়েছিল।

তার আগে দুর্গাপ্রতিমাকে সোনার শাড়ি পরানো হয়েছিল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।