”সাঁওতাল তার ভাষায় বলবে রাষ্ট্রপুঞ্জে!”

সেদিন কবে আসবে জানা নেই, তবে বিশ্বের কয়েকটি ভাষার পাশে জায়গা করে নিয়েচে ভারতের প্রত্যন্ত অঞ্চলের এই ভাষা। প্রথম ট্রাইবাল ভাষা হিসেবে ‘উইকিপিডিয়া’য় জায়গা করে নিল সাঁওতালি, যার লিখিত ভাষার নাম অল-চিকি।

‘হিন্দুস্তান টাইমস’-এ প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, গত ২৮ জুন ‘উইকিপিডিয়া ফাউন্ডেশন’ এই ভাষাকে স্বীকৃতি দেয়। ২ অগাস্ট থেকে চালু হয়েছে ‘সাঁওতালি উইকিপিডিয়া।’ ভারত, বাংলাদেশ, নেপাল- তিন দেশ এই ভাষার ‘কনটেন্ট’ তৈরিতে সাহায্য করেছে। আপাতত ৭০,০০০ শব্দ গৃহীত হয়েছে এই ভাষার।

২০০১-এর সেন্সাস অনুযায়ী, ভারত, বাংলাদেশ ও নেপালের ৬৪ লক্ষ মানুষ এই ভাষায় কথা বলে। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, ঝাড়খণ্ড, ওডিশা ও অসমের বহু মানুষ এই ভাষায় কথা বলেন। উইকিপিডিয়ার সাঁওতালি সংস্করণে রয়েছে রঘুনাথ মুর্মুর সম্পর্কে একটি আর্টিকল, যিনি অল চিকি স্ক্রিপ্ট তৈরি রেছিলেন।

২০১৭-র নভেম্বরে ২৪ বছরের শিখা মাণ্ডি প্রথম এই ভাষার রেডিও জকি হিসেবে কাজ করে নজির গড়েছিলেন। ৯০.৪ রেডিও মিলানে সম্প্রচারিত হয়েছিল সেই অনুষ্ঠান। এছাড়া এবছরেই প্রথম পশ্চিমবঙ্গে অল চিকি ভাষায় মাধ্যমিক পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল ছাত্রছাত্রীদের।

গত মাচফ মাসে প্রথম কোনও আন্তর্জাতিক মঞ্চে কেউ এই ভাষায় বক্তব্য রাখেন। জেনেভায় ইন্টার-পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের এক কনফারেন্সে যোগ প্রতিনিধিত্ব করেন ঝাড়গ্রাম কেন্দ্রের সাংসদ উমা সরেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পার্লামেন্টের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন সেখানে। ওই কনফারেন্সেই প্রথম সাঁওতালি ভাষায় বক্তব্য পেশ করেন পেশায় চিকিৎসক উমা সরেন।

তবে বাংলাদেশের উদ্যোগেই উইকিপিডিয়ায় জায়গা করে নিয়েছে এই উপজাতি ভাষা। ২০১৭-তে বাংলাদেশের ‘উইকিমিডিয়া ফাউন্ডেশন’-এর তরফে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়। এরপর ভারত ও নেপালকে নিয়ে বিশেষ ওয়ার্কশপ হয় বাংলাদেশে। ভারতের আরও কয়েকটি ভাষা যেমন, ডোগরি, বোরো, মনিপুরী সহ একাধিক ভাষা এখনই উইকিপিডিয়ার স্বীকৃতি পাওয়ার আপেক্ষায় রয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।