নয়াদিল্লি: ১৮ বছর বাদে ফের নতুন করে তৈরি হল সংস্কৃত মানচিত্র। ‘ন্যাশনাল সায়েন্স ডে’ উপলক্ষে সেই ম্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। এর আগে শেষবার ২০০২ সালে সংস্কৃত ম্যাপ তৈরি করা হয়েছিল। তখন অটল বিহারী বাজপেয়ী ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। এবার মোদী সরকারের আমলে সেই ম্যাপ আপডেট করা হল।

শুক্রবার বিজ্ঞান ভবনে সংস্কৃত ও হিন্দি মানচিত্রের উন্মোচন করেন কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী হর্ষ বর্ধন।

আরও পড়ুন: দিল্লির ছবি পোস্টার বানিয়ে মুসলিমদের এক হওয়ার ডাক আইএস জঙ্গিদের

ওই মানচিত্রে শহর ও রাজ্যের বেশিরভাগ নাম হিন্দির মতোই। তবে অতিরিক্ত সংস্কৃত প্রত্যয়-সহ ‘অম’ এবং ‘অহ’ যুক্ত করা হয়েছে বেশ কিছু নামের শেষে। যেমন রাজস্থান হয়েছে ‘রাজস্থানম’, পঞ্জাব হয়েছে ‘পঞ্জাবাহ’, কেরলকে বলা হয়েছে ‘কেরলম’, কর্নাটককে ‘কর্নাটকাহ’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

এমনকী ইংরেজী প্রত্যয়যুক্ত নাগাল্যান্ডের সঙ্গেও একটি ‘অম’ যুক্ত করে সংস্কৃত মানচিত্রে এটিকে ‘নাগাল্যান্ডম’ বলা হয়েছে। লাদাখ ও জম্মু ও কাশ্মীরের নতুন কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে ‘লাদাখাহ’ এবং ‘জম্মু কাশ্মীরাহ’ হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: প্যান কার্ড বাতিলের পর এই কাজ করলেই ১০ হাজার টাকা জরিমানা

মুম্বই ও কলকাতার নাম রয়েছে অপরিবর্তিত। তবে দিল্লি হয়েছে ‘দিল্লিহ’ আর চেন্নাই হয়েছে ‘চেন্নাইহ’। গ্যাংটক এখানে ‘গ্যাংটকাহ।’

একই ভাবে লেখা হয়েছে ‘আফগানিস্তানম’, ‘পাকিস্তানম’, ‘ইসলামাবাদাহ’ এবং ‘পেশওয়ারম’। চিনকে ‘চিন-গণরাজ্যম’ হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তিব্বতের নাম ‘তিব্বত-সোয়াত-ক্ষেত্রম।’ লেকগুলিকে বলা হয়েছে ‘ঝিলাহ’।

ইংরেজি ম্যাপ আগেই আপডেট করা হয়েছে। কিন্তু লাদাখ ও কাশ্মীর কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল হওয়ার পর সংস্কৃত ম্যাপ আপডেট করা হয়নি। এর আগে ১৯৭৯, ১৯৮৩, ১৯৯৭ ও ২০০২ সালে সংস্কৃত ম্যাপ আপডেট করা হয়েছিল।