হাওড়া: অবশেষে সাঁকরাইলের বিজেপি কর্মী শেখর মালিক খুনের তদন্তে সাফল্য এলো৷ পুলিশের জালে পড়েছে খুনের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত বাবলু অধিকারি৷ মঙ্গলবার ধৃতকে হাওড়া আদালতে তোলা হলে তদন্তের স্বার্থে অভিযুক্তকে নিজেদের হেপাজতে নেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন পুলিশ। চাঞ্চল্যকর এই খুনের ঘটনায় পাঁচদিনের মাথায় গ্রেফতার হয়েছে বাবলু৷

গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পুলিশ সাঁকরাইল স্টেশন এলাকা থেকে সোমবার সন্ধ্যায় বাবলুকে আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদের পর অভিযুক্ত তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। মঙ্গলবার তাকে হাওড়া আদালতে তোলা হয়। এই ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কিনা তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে সাঁকরাইল থানার পুলিশ।

জানা গিয়েছে, ঘটনার দিন রাতে তারা দুই বন্ধু এক জায়গায় বসে মদ্যপান করছিল। সেখানেই তাদের মধ্যে বচসা শুরু হয়। এরপর শেখরকে মাথায় আঘাত করে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত বাবলু অধিকারি। মঙ্গলবার দুপুরে হাওড়া সিটি পুলিশের ডিসি সাউথ জবি থমাস এক সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, ধৃতের নাম বাবলু ও শেখর বন্ধু ছিল।

আরও জানা গিয়েছে, একটি পারিবারিক বিষয় নিয়ে গণ্ডগোলের জেরেই ঘটনার দিন রাতে তাদের দুজনের মধ্যে ঝামেলা হয়। তখন বাবলু শেখরকে মারধর করে। তারপর ঘটনাস্থল থেকে বাবলু পালিয়ে যায়। সেই কারণেই খুব সম্ভবত শেখরের মৃত্যু হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পরই খুনের প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

এই বিষয়ে পুলিশ জানিয়েছে, বাবলু এবং শেখর ঘটনার দিন রাতে দুজনেই শিবরাত্রি পুজোর খিচুড়ি ভোগের অনুষ্ঠানে হাজির ছিল। এবং অনুষ্ঠানের পর তারা দু’জন বসে মদ্যপান করে। সেই সময় তাদের মধ্যে ঝামেলা হয়। ইঞ্জিন ভ্যান চালক বাবলু তখন শেখরকে মারধর করে। এই কারনেই শেখরের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

সপ্তম পর্বের দশভূজা লুভা নাহিদ চৌধুরী।