পুণে: গত কয়েকটা সিরিজে জাতীয় দলের সঙ্গে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। টিম ম্যানেজমেন্ট ঋষভ পন্তে আস্থা রাখায় প্রথম একাদশের শিকে ছিঁড়ছিল না সঞ্জু স্যামসনের। অবশেষে মাঠে নামার সুযোগ আসে পুণেতে। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে সিরিজের তৃতীয় তথা শেষ টি-২০ ম্যাচে ঋষভের পরিবর্তে স্যামসনকে প্রথম একাদশে জায়গা করে দেয় ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। মাঠে নামা মাত্রই নতুন এক রেকর্ড গড়ে বসেন আগ্রাসী এই উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান। টি-২০ ক্রিকেটে এমন এক নজির গড়েন, যা বাকি সব ভারতীয় ক্রিকেটারকে পিছনে ফেলে দেয়।

ইন্দোরে সিরিজের দ্বিতীয় টি-২০ ম্যাচ জেতা সত্ত্বেও পুণেতে উইনিং কম্বিনেশন ধরে রাখার মানসিকতা দেখায়নি টিম ইন্ডিয়া। বরং বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পথে হাঁটে টিম ম্যানেজমেন্ট। একসঙ্গে তিনটি পরিবর্তন দেখা যায় ভারতের প্লেইং ইলেভেন-এ। ঋষভ পন্ত, শিবম দুবে ও কুলদীপ যাদবকে বসিয়ে সুযোগ করে দেয়া হয় সঞ্জু স্যামসন, মণীশ পান্ডে ও যুবেন্দ্র চাহালকে। বাকি দু’জনের ক্ষেত্রে বিষয়টা প্রথম একাদশে রুটিন যাওয়া-আসার মতো হলেও স্যামসনের ক্ষেত্রে তা লম্বা ব্যবধান কাটিয়ে আন্তর্জাতিক টি-২০ ক্রিকেটে কাম ব্যাকে হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এই নিরিখে ভারতীয়দের মধ্যে রেকর্ড গড়ে ফেললেন স্যামসন। ম্যাচের অন্তরালের নিরিখে সব থেকে বড় ব্যবধানে মাঠে নামা ভারতীয় ক্রিকেটারে পরিণত হলেন স্যামসন। সঞ্জু শেষবার জাতীয় দলের জার্সিতে টি-২০ ক্রিকেট খেলেছিলেন ২০১৫ সালে জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে। মাঝের ৫ বছরে টিম ইন্ডিয়া খেলে ফেলেছে ৭৩টি আন্তর্জাতিক টি-২০ ম্যাচ। ম্যাচ সংখ্যার নিরিখে এত লম্বা ব্যবধানে টি-২০ ফরম্যাটে জাতীয় দলে ফিরে আসার নজির আর কোনও ভারতীয়র নেই।

আগের রেকর্ড ছিল উমেশ যাদবের। তিনি ২০১২ সালের পর আবার আন্তর্জাতিক টি-২০ ক্রিকেট খেলেন ২০১৮ সালে। মাঝে ভারত ৬৫টি আন্তজাতিক টি-২০ খেলেছিল। এই তালিকার তিন নম্বরে রয়েছেন দীনেশ কার্তিক। ২০১০ থেকে ২০১৭ সালে কার্তিকের বাদ পড়া ও ফিরে আসার মধ্যে ভারত ৫৬টি আন্তর্জাতিক টি-২০ খেলেছিল।

সার্বিকভাবে আন্তর্জাতিক টি-২০ ক্রিকেটে এটি চতুর্থ দীর্ঘতম ব্যবধানের নজির। এই নিরিখে বিশ্বরেকর্ড হয়েছে জো ডেনলির নামে। ২০১০ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে মোট ৭৯টি আন্তর্জাতিক টি-২০ ম্যাচে জাতীয় দলের বাইরে ছিলেন তিনি। লিয়াম প্লাঙ্কেট দীর্ঘ ৭৪টি ম্যাচ পরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরেছিলেন। তৃতীয় স্থানে থাকা মাহেলা উদাওয়াত্তে স্যামসানের মতোই ৭৩টি আন্তর্জাতিক টি-২০ ম্যাচে জাতীয় দলের বাইরে ছিলেন। তবে তাঁর বাদ পড়া ও কাম ব্যাকের মাঝে ৮ বছরের ব্যবধান ছিল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.