মুম্বই: সুশান্ত সিং রাজপুত মামলায় হঠাৎ করে সুর নরম করলেন শিবসেনা মন্ত্রী সঞ্জয় রাউত। কিছুদিন আগে সুশান্তের বাবাকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন তিনি। বলেছিলেন সুশান্তের সঙ্গে নাকি তাঁর বাবার সম্পর্ক মোটেই ভাল ছিলনা। এমন কি এও বলেছিলেন যে বাবার দ্বিতীয় বিয়ে নাকি মেনে নিতে পারেননি সুশান্ত। এই মন্তব্যের জন্য সুশান্তের পরিবার ক্ষুব্ধ হয়।

সুশান্তের পরিবারের পক্ষ থেকে সঞ্জয় রাউত কে একটি আইনি নোটিশ পাঠিয়ে বলা হয় আগামী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে তিনি যদি ক্ষমা না চান তাহলে আইনি পদক্ষেপ করা হবে। এরপর শুক্রবার সঞ্জয় রাউত সুর নরম করে বলেন যে সুশান্তের পরিবারের প্রতি তার যথেষ্ট সহানুভূতি রয়েছে। সঞ্জয় রাউত বলছেন, “আমি শুধু সুশান্তের পরিবারকে একটু ধৈর্য ধরতে বলেছিলাম। কিন্তু বিষয়টিকে এমন ভাবে দেখানো হয়েছে যেন আমি হুমকি দিচ্ছি। এটা কি হুমকি ছিল? মুম্বই পুলিশকে বিশ্বাস করুন। তারপরে যদি মনে হয় তারা ঠিক করে কাজ করছে না তাহলে সিবিআই এর কাছে যান।”

সঞ্জয় রাউত এমনকি এও বলেছেন যে, “সুশান্ত সিং রাজপুত আমাদের সকলের সন্তান ছিলেন, আর বলিউড হল মুম্বাইয়ের পরিবার।” তিনি বলছেন, “আমাদের ওদের সঙ্গে কী শত্রুতা থাকতে পারে? আমরাও চাই ওর পরিবার বিচার পাক। ওর মৃত্যুর পিছনে কী রহস্য ছিল সেটা সামনে আসুক। “

দিন কয়েক আগে দলের পত্রিকায় সঞ্জয় রাউত মন্তব্য করেন যে সুশান্তের বাবার দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে খুব একটা খুশি ছিলেন না অভিনেতা। তাই বাবার সঙ্গে সম্পর্ক নাকি তাঁর খারাপ হয়েছিল। সুশান্ত পরিবারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে বলা হয় এই মন্তব্য সম্পূর্ণ মিথ্যা‌। সুশান্তের মায়ের মৃত্যুর পর তাঁর বাবা কখনোই দ্বিতীয়বার বিবাহ করেননি। আর তাই এই মন্তব্যকে মানহানিকর বলে দাবি করেছেন তাঁরা।

সুশান্তের এক কাজিন ভাই তথা বিজেপি বিধায়ক নীরজ সিং বাবলু শিবসেনার নেতাকে আইনি নোটিশ পাঠান। মন্তব্যের জন্য আগামী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে ক্ষমা চাইতে হবে সঞ্জয় রাউত কে, এমনই দাবি করেন নীরজ সিং বাবলু। ক্ষমা না চাইলে তার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করা হবে বলে জানান তিনি।

নীরজ সিং বাবলু সংবাদমাধ্যমের উপরেও ক্ষোভ উগরে দেন। তিনি বলেন কীভাবে সত্যতা বিচার না করে এমন একটি মন্তব্য নিয়ে খবর তৈরি হয়? এর জন্য কিছু সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করতে পারেন বলে দাবি করেন।

সুশান্ত সিং রাজপুতের কাকু আরসি সিং নবভারত টাইমস এর কাছে বলেন, “উদ্ধব ঠাকরে ও আদিত্য ঠাকরের হয়ে সঞ্জয় রাউত এই খারাপ মন্তব্যটি করেছেন। সঞ্জয় রাউত এইসব মন্তব্য করে সুশান্তের বাবার ভাবমূর্তি খারাপ করতে চাইছেন। এই সমস্ত কথা বলে কারোর ভাবমূর্তি খারাপ করতে চাওয়া মোটেই ঠিক নয়।”

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও