স্টাফ রিপোর্টার , হাওড়া : গ্রামীণ হাওড়ার আমতা-২ ব্লকের বি বি ধর গ্রামীণ হাসপাতালের প্রতিটি জায়গায় স্যানিটাইজড করা হচ্ছে।এটা প্রতিদিন চলবে বলে জানান রোগীকল্যাণ সমিতির সভাপতি তথা স্থানীয় পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সুকান্ত কুমার পাল।তিনি নিজে উপস্থিত থেকে সমগ্র প্রক্রিয়াটি দেখভাল করেন।এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের সুপার চিকিৎসক সুকান্ত বিশ্বাস।

করোনা মোকাবিলায় দেশজুড়ে চলছে দীর্ঘ ২১ দিনের লকডাউন। ইতিমধ্যে লকডাউন বাড়ার ইঙ্গিতও মিলিছে। লকডাউনের মাঝেও চালু রয়েছে বাজার,হাটসহ বিভিন্ন জরুরি পরিষেবা।করোনার সংক্রমণ রুখতে অন্যান্য জেলার মতো হাওড়া জেলা প্রশাসনও বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। আগেই হাওড়া গ্রামীণ জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জলকামান দিয়ে আমতা-২ ব্লকের বিভিন্ন বাজার,হাসপাতাল,জয়পুর থানা,জয়পুর মোড় সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ এলাকাকে স্যানিটাইজড করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

সমগ্র প্রক্রিয়াটির তদারকি করছেন আমতা-২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সুকান্ত কুমার পাল,জয়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক তাপস নস্কর সহ অন্যান্য পুলিশ আধিকারিকরা। পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সুকান্ত কুমার পাল জানান,”করোনা মোকাবিলায় আমতা-২ ব্লক প্রশাসন সদা প্রস্তুত।বিভিন্ন সচেতনতা মূলক পদক্ষেপ গ্রহণের পাশাপাশি ব্লকের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোকে পর্যায়ক্রমে জীবাণুনাশ করার কাজ চলবে।”

এদিকে করোনা উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে হাওড়া জেলা হাসপাতালের সুপার। লালারসের নমুনা পরীক্ষার পর তাঁর কোভিড-১৯ পজিটিভ ধরা পড়েছে বলে একটি সূত্রের খবর। হাওড়া জেলার বেশ কয়েক জন প্রশাসনিক কর্তাকেও পাঠানো হয়েছে গৃহ পর্যবেক্ষণে। হাসপাতালের সুপার ভর্তি রয়েছেন এমআর বাঙ্গুর হাসপাতালে। প্রসঙ্গত, করোনায় হটস্পট রাজ্যের দুই জেলা। দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও হাওড়া। স্বাস্থ্যমন্ত্রক সূত্রে এমনটাই খবর। সূত্রের দাবি, দেশের ৪২টি জায়গাকে হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত করেছে স্বাস্থ্যমন্ত্রক। এরমধ্যে দুটি এ রাজ্যে। করোনা আক্রান্তের সংখ্যা কুড়ি ছাড়ালেই সেই জায়গাটি হটস্পট। তাই গ্রামীণ হাওড়া উঠে পড়ে লেগেছে।