নয়াদিল্লি: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সপ্তমতম স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে গুরুত্ব পেয়েছে নারীর ক্ষমতায়ন। মেয়েদের বিয়ের ন্যুনতম বয়স নিয়ে পুনর্বিবেচনাই শুধু নয় ,মেনস্ট্রুয়েশন অর্থাৎ ঋতুস্রাবের মতন বিষয়ে কথা বলে ট্যাবু ভেঙেছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী। তাই এমন বিরল কাজে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশংসা উপচে পড়ছে।

নরেন্দ্র মোদী ঘোষণা করেছেন, দেশের মহিলারা মাত্র ১ টাকায় স্যানিটারি প্যাড কিনতে পারবেন। আর তাঁর এই ঘোষণার পরপরই সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশংসা বন্যা বয়ে যাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কেন্দ্র দেশের মেয়েদের স্বাস্থ্যের বিষয়ে উদ্বিগ্ন ছিল। এবার তাই ৬,০০০ জনৌষধি কেন্দ্রের মাধ্যমে দেশের প্রায় ৫ কোটি মহিলার হাতে মাত্র ১টাকার বিনিময়ে তুলে দেওয়া হবে স্যানিটারি প্যাড। এছাড়াও, দেশের তরুণীদের বিবাহের জন্য আমরা একটি কমিটি গঠন করেছি যারা ঠিক সময়ে বিয়ের জন্য টাকার জোগান দেবে”।

মহিলাদের নিয়োগ ও স্বনিযুক্তির ক্ষেত্রে সমান অধিকার দিতে সংকল্পবদ্ধ দেশ। এখন দেশের মহিলারা যুদ্ধবিমান চালিয়ে আকাশ স্পর্শ করছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় পুরুষ-মহিলা নির্বিশেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসায় মুখর হয়েছেন। এমন পদক্ষেপ বিরল। এইভাবে স্বাধীনতা দিবসের মঞ্চ থেকে মেনস্ট্রুয়েশন নিয়ে কথা বলায় সকলেই খুশি।

ট্যুইটারে অনেকেই বলছেন, এমন ঐতিহাসিক মঞ্চ থেকে আর অন্য কোনও দেশের প্রধানমন্ত্রী এই বিষয়ে কথা বলবেন কিনা সে বিষয়ে সন্দেহ রয়েছে। মহিলাদের উন্নতিকে এত বড় করে আর কোনও দেশ দেখাবে কিনা সে বিষয়ে সন্দিহান অনেকেই।

এছাড়াও এখনও পাঁচ কোটি মহিলার কাছে ১ টাকার সানিটারি প্যাড পৌঁছে গিয়েছে বলেও তথ্য তুলে ধরেছেন যা সহজেই সাধারণের মনোগ্রাহিতা অর্জন করেছে।

এছাড়াও, অন্য আরেক সোশ্যাল মিডিয়া ইউজার লিখেছেন, “যদি আমি আমার পরিবারের কোনও পুরুষকে আমার জন্য ‘স্যানিটারি ন্যাপকিন একটি প্যাকেট কিনতে বলি হয়ত তাঁরা তা করবেন না। তবে আমার প্রধানমন্ত্রী সব ট্যাবু ভেঙে দিয়েছেন। স্যানিটারি প্যাড আরও সস্তায় তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত বড় ব্যাপার, এই বিষয়ে কথা বলার জন্য যেটা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন সাহস, আমাদের এমনই একজন মানুষ প্রয়োজন”।

শনিবার ১ ঘণ্টা ২৬ মিনিটের ভাষণে নরেন্দ্র মোদী জানিয়েছেন একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতে মেয়েদের বিয়ের ন্যুনতম বয়স পুনর্বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।