নয়াদিল্লি: চলতি মাসের শুরুতেই করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন সানিয়া মির্জা। তবে এখন তিনি সুস্থ হয়ে উঠেছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেই সুস্থতার খবর জানালেন টেনিস সুন্দরী।

ছয়বারের গ্র্যান্ড স্ল্যাম বিজয়ী নিজের অফিসিয়াল টুইটার অ্যাকাউন্টে আবেগময় পোস্ট দিয়ে নিজের অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করেছেন। সানিয়া লিখেছেন, “একটি সমস্যা যা গত একবছর ধরে চলছে। আমিও কোভিড -১৯ এর কবলে পড়েছিলাম। ওপরওয়ালার দয়াতে এখন আমি সুস্থ এবং একদম ঠিক আছি। আমি আমার অভিজ্ঞতা শেয়ার করছি।”

আরও পড়ুন – বাজেট অধিবেশনের আগেই সংসদে পুরনো অবস্থান থেকে সরল গান্ধীর মূর্তি

৩৪ বছর বয়সী সানিয়া জানিয়েছেন, তিনি ভয়ঙ্কর ভাইরাসের কোনও গুরুতর লক্ষণ অনুভব করেননি, তবে এই সময় ছেলের কাছ থেকে দূরে থাকা তাঁর পক্ষে কঠিন ছিল।

তিনি জানিয়েছেন, ‘আমি ভাগ্যবান যে এই সময়ে আমার কোনও গুরুতর লক্ষণ ছিল না। আমি কোয়ারেন্টাইনে ছিলাম। কিন্তু দু’বছরের বাচ্চা ও পরিবারের থেকে দূরে থাকাই ছিল সবচেয়ে কঠিন বিষয়।”

আরও পড়ুন – ২৩ জানুয়ারি ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালে নেতাজির গ্যালারি উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

টেনিস সুন্দরী জানিয়েছেন, সমস্ত ধরনের সতর্কতা অবলম্বন করা সত্ত্বেও তিনি করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন। তিনি সকলকে মাস্ক পরতে ও ঘন ঘন হাত ধোয়ার কথা জানান।

তিনি জানিয়েছেন, ” ‘এই ভাইরাস কোনও মজার জিনিস না। আমি যথাসম্ভব সতর্কতা অবলম্বন করছিলাম। তবুও এর কবলে পড়েগেছিলাম। আমাদের সকলকে আমাদের বন্ধু এবং পরিবারকে রক্ষার জন্য কিছু করা উচিত। একটি মাস্ক পরুন, আপনার হাত ধুয়ে ফেলুন এবং নিজেকে এবং আপনার কাছের লোকদের রক্ষা করুন। আমরা এই লড়াইয়ে একজোট রয়েছি।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।