পানাজি: কেরিয়ারে প্রথমবার কলকাতা ডার্বি খেলতে নামছেন এই মুহূর্তে ভারতীয় ফুটবলের সবচেয়ে চর্চিত ডিফেন্ডার। চলতি আইএসএল মরশুম শুরু হওয়ার আগে তাঁকে দলে নেওয়া নিয়ে দু’প্রধানের মধ্যে কম দড়ি-টানাটানি হয়নি। শেষমেষ এটিকে-মোহনবাগানের হয়ে নয়া মরশুম শুরু করেছেন সন্দেশ ঝিঙ্গান। কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে সসম্মানেই উত্তীর্ণ হয়েছেন। এবার সামনে এসসি ইস্টবেঙ্গল। সন্দেশ কিন্তু সমীহ করছেন ‘অচেনা’ ইস্টবেঙ্গলকে। তবে এটিকে-মোহনবাগানের ডিফেন্ডার আস্থা রাখছেন কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাসের স্ট্র্যাটেজিতে।

আইএসএল ওয়েবসাইটে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সন্দেশ জানিয়েছেন, ‘আমাদের সেট টিম। তাই আমাদের শক্তি-দুর্বলতা সম্পর্কে ওদের ধারণা রয়েছে। কিন্তু ওরা একেবারে আনকোরা এবং সেই কারণে ওদের সম্পর্কে কোনও ধারণা আমাদের কাছে নেই। আমরা জানি না ওরা আমাদের কীভাবে বেগ দেবে। আমাদের কাঁধে গুরুদায়িত্ব। আমরা আমাদের সিস্টেম এবং আমাদের কোচের উপর বিশ্বাসী। আমি নিশ্চিত উনি যথাযথ পরিকল্পনা ছকে রেখেছেন।’

ইতিপূর্বে কলকাতা ডার্বির অভিজ্ঞতা নিয়ে বলতে গিয়ে সন্দেশ আরও বলেন, ‘স্টেডিয়ামে বসে এর আগে কলকাতা ডার্বি দেখার সৌভাগ্য হয়নি আমার। কিন্তু এবার আমি এই লড়াইয়ের একটা অংশ। ভারতীয় ফুটবল সমর্থকদের জন্য এটা একটা দারুণ ব্যাপার। দলের জন্য বাকি সতীর্থদের মত নিজের দায়িত্ব যথযথ পালন করাই প্রাথমিক লক্ষ্য থাকবে ম্যাচে। ম্যাচ থেকে তিন পয়েন্ট এবং ক্লিন শিট রাখতে চাই।’

ডার্বিতে মাঠে নামার জন্য মুখিয়ে আছেন জানিয়েও ম্যাচটাকে আর পাঁচটা ম্যাচের থেকে আলাদাভাবে দেখতে নারাজ সন্দেশ। ২৭ বছরের ডিফেন্ডার বলছেন, ‘আমি কোনও ম্যাচকে বাড়তি মাত্রা দিতে নারাজ, তা সে কলকাতা ডার্বিই হোক বা অন্য ম্যাচ। আমার কাছে সব ম্যাচ সমান এবং সব ম্যাচ গুরুত্বপূর্ণ। তাই আমি বাড়তি আবেগ দেখাব না। কোচ এবং সাপোর্ট স্টাফেরা ম্যাচটাকে একটা ফুটবল ম্যাচ হিসেবেই দেখছেন।’

এটিকে-মোহনবাগানের অন্যতম অধিনায়ক হিসেবে কী বাড়তি চাপ কাজ করবে কলকাতা ডার্বিতে। সন্দেশের উত্তর, ‘একজন চ্যাম্পিয়ন দলের সদস্য হিসেবে একটা চাপ তো থাকবেই কিন্তু আমি এই দায়িত্বটা উপভোগ করি। এটাই সুযোগ নিজেকে প্রমাণ করার যেহেতু অসংখ্য মানুষের প্রত্যাশা রয়েছে আমাকে ঘিরে।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I